সম্ভাব্য পুঁজি:৫০০০০০ টাকা থেকে ১০০০০০০ টাকা পর্যন্ত
সম্ভাব্য লাভ:আধুনিক রাইসমিলে চাল শুকানোর ব্যবস্থা থাকায় উৎপাদন এর খরচ বেশি হয়। তবে এতে ৭৪ % পর্যন্ত চাল পাওয়া যায়। সাধারণত ধান থেকে চাল  উৎপাদনের  উপর নির্ভর করে এর লাভ। তবে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ধান কে চাল এ রুপান্তর করে মাসে ৫০ -৭০ হাজার টাকা রোজগার করা সম্ভব। বিশেষ করে ধানের খোসা বা ভূষি বিক্রি এ ব্যবসার বাড়তি লাভ।
প্রস্তুত প্রণালি:ধান সিদ্ধ করে  শুকিয়ে নিয়ে মেশিনের সাহায্যে চাল করা হয়। ধানের খোসা ছাড়ানো মূলত এই মেশিনের কাজ। সিদ্ধ করা শুকনা ধান মেশিনে দিলেই মেশনের নিজস্ব পক্রিয়াতে চাল হয়ে বের হয়।
বাজারজাতকরণ:বড় বড় চালের আড়তদারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করা যায়। স্থানীয় কৃষকেরাও এখন চালের কলের ভোক্তা। ধান থেকে ছড়ানো খোসা /ভুসি গরু ছাগলের প্রধাণ খাদ্য বিধায় এরও বাজার চাহিদা ব্যাপক।।
যোগ্যতা:বিশেষ কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। চালের কলে কাজ করার জন্য শ্রমিক পাওয়া যায় সহজেই। আগে ঠিকমত ধান না শুকালে নানা সমস্যার সৃষ্টি হতো। এখন আধুনিক চালের কলের মেশিন পাওয়া যায় যেখানে বিদ্যুৎ এর সাহায্যে ধান সঠিকভাবে শুকানো যায়া। এখন আর তাই চাল কলে কোন ঝুঁকি নাই।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Email Marketing

মূল্য: ১৫,০০০ টাকা

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



১,৪২১ বার পড়া হয়েছে