অনেক বেলায় ঘুম ভাঙল আমার। শরীর ঝরঝরে। ঘুমানোর সময়ে শার্লক হোমসকে যেভাবে বসে থাকতে দেখেছিলাম, এখনও বসে রয়েছে সেইভাবে। কেবল বেহালা পাশে রেখে চোখ। ড়ুবিয়ে রয়েছে একটা বইতে। আমার নড়াচড়ার শব্দে মুখ তুলে চাইতেই দেখলাম, দুশ্চিন্তার কালো হয়ে উঠেছে মুখখানা। বলল, খুব ঘুমিয়েছ। এত কথা বললাম, তবুও ঘুম ভাঙেনি। কিছুই শুনিনি। নতুন খবর পেয়েছ তাহলে?…
দ্য সাইন অফ ফোর
১০. দ্বীপবাসীর শেষদিন
বেশ ফুর্তির মধ্যে শেষ হল খাওয়াদাওয়া। ইচ্ছে করলে অনর্গল কথা বলতে পারে হোমস। সেদিন দেখলাম ওর সেই ইচ্ছেই রয়েছে। মনে হল একটা স্নায়বিক উল্লাসের মধ্যে রয়েছে বন্ধুবর। এ-রকম উল্লসিতভাবে কখনো ওকে দেখেনি। যেন ঝলমল করছে, চলনে বলনে ঝিকিমিকি দ্যুতি ঠিকরোচ্ছে। নানা বিষয়ে পরের পর কথা বলে চলল একাই। রকমারি বিষয়। কিন্তু প্রতিটিতে যেন বিশেষভাবে কৃতবিদ্য।…