ভ্যন্তরীণ তিনটি রুটে ১ জুন থেকে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে প্রতিদিন তিনটি রুটে মোট ২৪টি ফ্লাইট চলবে। তবে কোনো বিমান সংস্থা ভাড়া বৃদ্ধি করছে না।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, নভোএয়ার ও ইউএস-বাংলার প্রতিদিন ২৪টি ফ্লাইট চলবে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ১১টি, সিলেটে ৪টি ও সৈয়দপুরে ৯টি ফ্লাইট চলবে।
এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এওএবি) মহাসচিব ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চাই না যাত্রীরা কোনো চাপে থাকুক। চাচ্ছি আকাশপথে যাত্রীরা ফিরে আসুক। করোনারকালে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা ও গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। সে জন্য আগের মতোই ভাড়া রাখা হবে।’
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে। স্বাস্থ্যবিধির কারণে প্রতিটি ফ্লাইটে ৫০ শতাংশের বেশি যাত্রী নেওয়া যাবে না। ৪৫ মিনিট পর একটি করে ফ্লাইট ছাড়বে। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যদি কোনো যাত্রীর শরীরে তাপমাত্রা ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকে, তাহলে তাঁকে ফ্লাইটে নেওয়া হবে না।
জানা গেছে, ১ জুন সকালে চট্টগ্রামে ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনস প্রথম ফ্লাইট দিয়ে দীর্ঘ আড়াই মাস পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট শুরু হবে। একই সময়ে নভোএয়ারের ফ্লাইট সৈয়দপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
বাউন্ডারি ও রেজিষ্ট্রেশন করে নিজের প্লট বুঝে নিন
Sheraton Maldives Full Moon Resort 3D/2N
Thimpu-Paro-Dochala Pass-Punakha 6D/4N
১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তিনটি রুটে ২৪টি ফ্লাইট চলবে। এর মধ্যে ইউএস-বাংলা চট্টগ্রামে ৬টি, সৈয়দপুরে ৩টি ও সিলেটে ১টি করে ফ্লাইট চলবে। নভোএয়ারের প্রতিদিন চট্টগ্রামে ৩টি, সৈয়দপুরে ৩টি ও সিলেটে ১টি করে ফ্লাইট রয়েছে। অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রতিদিন চট্টগ্রামে ২টি, সিলেটে ২টি ও সৈয়দপুরে ৩টি করে ফ্লাইট রয়েছে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪৩৩ বার পড়া হয়েছে




