অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, মদ্যপান, তেল-চর্বিজাতীয় খাবার, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপের প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। জীবনাচরণ পরিবর্তন করে রক্তচাপ বাড়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। আর ওষুধ সেবনের বেলায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আমাদের দেশের অনেকেই ফার্মেসিতে গিয়ে দোকানির কাছ থেকে অথবা নিজের ইচ্ছেমতো ওধুষ কিনে খেয়ে থাকেন। যেকোনো অসুখের ক্ষেত্রেই এটি বিপজ্জনক।’

তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেক বেশি। কেননা একজন ডাক্তার ওষুধ দেওয়ার আগে অনেকগুলো বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেন। যেমন উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে রোগীর বয়স, ওজন, উচ্চ রক্তচাপের তীব্রতা, উপসর্গ ইত্যাদি। এ ছাড়া আনুষঙ্গিক অন্যান্য রোগের জন্যও ওষুধের ধরন পরিবর্তন হয়, যেমন ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস, হাঁপানি, প্রোস্টেটের সমস্যা, গর্ভাবস্থা ইত্যাদি অনেক বিষয় বিবেচনা করেই রক্তচাপ কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়।

দেখা যায় কোনো ওষুধ কারও জন্য উপকারী, আবার একই ওষুধ অন্য কারও জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই যে ওষুধে একজনের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছে, সেটা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আপনি খাওয়ার চিন্তাও করবেন না।

ফিচার বিজ্ঞাপন

SIliguri – Gangtok – Lachung (Sikkim) 7D/6N

মূল্য: ২৭,৯০০ টাকা

Sheraton Maldives Full Moon Resort 3D/2N

মূল্য: ৬৬,৯০০ টাকা

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৪২৯ বার পড়া হয়েছে