প্রত্যেক মানুষই যেমন আলাদা, তেমনই আলাদা তাঁদের পছন্দ, রুচিবোধ। সেই রুচিবোধের বহিঃপ্রকাশ যদি ফুটে ওঠে তাঁর ঘরে, তবে সেই ঘর তো অনন্যই হয়ে ওঠে। ডিজাইনার শৈবাল সাহার ঘরগুলো ঠিক তেমনই। একেবারে নিজস্ব গল্পে মোড়া, একটু অন্য রকম, ব্যতিক্রম। বিশেষ উৎসবের দিনগুলোতে তো বটেই, এই বাসার অন্দরসাজে সব সময়ই থাকে পরিপাটি নান্দনিক আবহ। বাসার মূল দরজা পার হয়ে বসার ঘরে প্রবেশ করতেই সেটা বোঝা গেল। আলোছায়ায় ঘেরা এক মায়াবী পরিবেশ মনে এনে দিল প্রশান্তি। এই বাসার মূল বিশেষত্ব এটাই। শৈবাল সাহা বলছিলেন, আধো আলো আধো ছায়ার বিষয়টা সব সময়ই খুব টানে তাঁকে। এই আলোছায়ার প্রতিক্রিয়ায় ঘরের আসবাব ও অনুষঙ্গে এক নিজস্ব ভাষার সৃষ্টি হয়। এই বাসার প্রতিটি ঘরেই তাই নানা আঙ্গিকে আছে ল্যাম্পশ্যাডের ব্যবহার। কোনো কোনো ল্যাম্প শৈবাল সাহার নিজস্ব নকশায় তৈরি, কোনোটা আবার তিনি সংগ্রহ করেছেন দেশ-বিদেশ থেকে।বিজ্ঞাপন
সৃজনশীল মানুষের বাসা, তাই এই বাসার আসবাবগুলো একটু ভিন্ন ধাঁচের হবে, সেটাই যেন স্বাভাবিক। গল্পচ্ছলেই স্ত্রী অপর্ণা সাহার কাছেই জানা গেল, সব ধরনের সৃজনশীল কাজেই বেশ খুঁতখুঁতে শৈবাল সাহা। ঘরে কোথায় আসবাব রাখবেন, আর আসবাবের নকশা কেমন হবে—দুটির কোনোটির ব্যাপারে তাই দেননি কোনো ছাড়। নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে প্রতিটি আসবাবই তিনি তৈরি করেছেন একেবারেই নিজের মতো করে। ‘বাসার আসবাব থেকে শুরু করে সোফার কাভার, কুশন, ড্রেসিং টেবিল, রানার—সবকিছুতেই নিজের রুচি আর পছন্দের সংযোজনে এনেছি পরিপূর্ণ রূপ,’ বলছিলেন শৈবাল সাহা। এই বাসার দেয়ালজুড়ে তাকে আছে দেশ-বিদেশের অ্যান্টিক আর ক্র্যাফটের সংগ্রহ।
দেয়ালজুড়ে আরও আছে চিত্রকর্ম। তবে এ সবকিছুকে ছাপিয়ে এই বাসার সবুজের কোণগুলো দৃষ্টি কাড়তে বাধ্য। শৈবাল সাহা মনে করেন, গাছ ছাড়া কখনোই ঘরে সজীবতার ছোঁয়া আনা সম্ভব নয়। ‘ঘরটা যেভাবেই সাজান না কেন, এর সঙ্গে একটু সবুজ গাছ জুড়ে দিলেই দেখবেন একটা ভিন্ন মাত্রা আসে।’ আর তাই শৈবাল সাহার বাসায় গাছ রাখার উপস্থাপনাটাও বেশ নান্দনিক। বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত বাঁশের ঝুড়ি, হোগলার ঝুড়ি বা বেতের ভেতর রাখা হয়েছে এসব গাছ।বিজ্ঞাপন
ফিচার বিজ্ঞাপন
Australia Visa for Lawyer
ইস্তানবুল ও কাপাডোসিয়া ৫দিন ৪ রাত
Cairo, Alexandria & Sharm El Sheikh 6D/5N
ক্র্যাফট আর দেশীয় জিনিসে সাজানো এই বাসা সব সময় পরিপাটি, ছিমছাম। পূজার দিনগুলোয় শুধু এখানে যুক্ত হয় বিভিন্ন রকম ফুলের ব্যবহার। খাবার টেবিল জুড়ে থাকে কাঁসার প্রাধান্য। শুধু উৎসবের দিনেই নয়, এই বাসার মানুষেরা সব সময়ই অতিথিদের জানান আন্তরিক আমন্ত্রণ।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৮৪ বার পড়া হয়েছে





