ঢাকার ঐতিহ্যবাহী উদ্যানগুলোর একটি ওসমানী উদ্যান।এটি প্রায় ২৩.৩৭ একর জুড়ে বিস্তৃত।

অবস্থান

ঢাকার গুলিস্তানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (নগর ভবন) বিপরীত পাশে এবং সচিবালয়ের পিছনে এটি অবস্থিত। উদ্যানটির সাথেই রয়েছে গোলাপ শাহ মসজিদ, এর পাশেই রয়েছে গোলাপ শাহ এর মাজার, রমনা ভবন, জিপিও, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর প্রধান অফিস এবং ঢাকা ষ্টেডিয়াম।

খোলা বন্ধের সময়সূচী

প্রাতঃভ্রমণকারীদের তথা দর্শণার্থীদের জন্য এটি খোলা থাকে প্রতিদিন। গ্রীস্মকালে এটি সকাল ৫.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৬.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত। সাপ্তাহিক বন্ধ নেই।

সদর দরজা

উদ্যানটিতে প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার জন্য মোট ৩টি সদর দরজা রয়েছে। মূল দরজাটি সিটি কর্পোরেশনের ঠিক বিপরিত পাশে, দ্বিতীয় দরজাটি রয়েছে গোলাপ শাহ মসজিদের পাশ ঘেষে এবং তৃতীয় দরজাটি ওসমানি অডিটোরিয়ামের পাশ ঘেষে।

মীর জুমলার কামান

সম্রাট আওরঙ্গজেবের প্রধান সেনাপতি মীর জুমলার কামানটি বর্তমানে ওসমানী উদ্যানের শোভা বর্ধন করে রয়েছে। কামানটি মীর জুমলা আসাম যুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Australia Visa for Businessman

মূল্য: 20,000 Taka

Kandy- Nuwara Eliya- Galle & Colombo 6D/5N

মূল্য: 36,900 Taka

Dubai (City Tour) 4D/3N

মূল্য: 12,900 Taka

উদ্যানটির নামকরণ

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার লেঃ জেঃ এম এ জি ওসমানির নামকরনে ওসমানি উদ্যান নামকরন করা হয় এবং তারই স্মরনে উদ্যানটির পাশে ওসমানি অডিটোরিয়াম নির্মাণ করা হয়।

তত্ত্বাবধান এবং নিরাপত্ত্বা ব্যবস্থা

ঢাকা সিটি করপোরেশন (নগর ভবন) উদ্যানটি তত্ত্বাবধানসহ যাবতীয় সংস্কার ও সার্বিক নিরাপত্ত্বা নিশ্চিত করে থাকে। উদ্যানটির ভেতরে রয়েছে গার্ড রুম। পুলিশ সদস্যরা সর্ব সময় সক্রিয় থাকেন। এছাড়া মাঝে মাঝে সতর্কীকরন বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। কাজেই এখানে কোন ধরনের উচ্ছৃংখল বা অসামাজিক অপরাধ ঘটে না বললেই চলে।

লেক বা জলাধার

মোট ৫.৩৪ একর জুড়ে বিস্তৃত লেকদুটি উদ্যানটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। লেকটিতে পর্যাপ্ত পরিমান পানি প্রবাহমান থাকায় এতে ছোট বড় প্রচুর পরিমানে মাছ পাওয়া যায়।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,০৫৭ বার পড়া হয়েছে