এ ব্যবসা শুরুর জন্য আনুমানিক ১০০০০০ টাকা থেকে ২০০০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের প্রয়োজন।

সম্ভাব্য লাভ: অনুষ্ঠানের ব্যাপ্তির ওপর আয় নির্ভর করে। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কাজ করে ৩০-৫০ হাজার টাকা এবং অন্য অনুষ্ঠানগুলোতে কাজ করলে ১৫-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ থাকে।

সুবিধা: অল্প পুঁজিতে এ ব্যবসা শুরু করা যাবে। আত্মীয়স্বজন এবং পরিচিত মাধ্যম থেকে শুরুতে কাজ করতে হবে।
প্রস্তুত প্রণালি:

ওয়েডিং প্ল্যানিং প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথমে প্রয়োজন অফিস, সহজে যাতায়াত করা যায় এবং বাণিজ্যিক এলাকায় অথবা কোনো বিপণিবিতানে অফিস ভাড়া নিতে হবে। অফিস সাজাতে অফিস সরঞ্জামের পাশাপাশি কিছু বিয়ের সামগ্রী যেমন পালকি, ডালা কুলা এবং দেয়ালে বিয়ের কিছু ছবি বড় করে বাঁধাই করতে পারেন। এরপর প্রয়োজন কিছু কাপজপত্রের, যেমনÑ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ইত্যাদি। এ ছাড়া একক মালিকানায় প্রতিষ্ঠান তিন-চারজন সহকারী হলেই চলবে। অনুষ্ঠান চলাকালে কিছু বাড়তি লোকবলের প্রয়োজন হয়। তখন কিছু রোজ হিসেবে কয়েকজনকে কাজে নেওয়া যেতে পারে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

বাজারজাতকরণ: মূলত বিয়ের আয়োজকেরাই এর ভোক্তা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা এর ভোক্তা

এ ব্যবসার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি ডিজাইনিং এবং পরিকল্পনায় পারদর্শীতার প্রয়োজন রয়েছে। সম্ভব হলে ডিজাইন এর কোর্স করে দক্ষতা বাড়ানো যেতে পারে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৯৯৯ বার পড়া হয়েছে