করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের শেষের দিকে এসে রাজধানীতে যানবাহনের চলাচল অনেক বেড়ে গেছে। রোববার গাড়ির চাপে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর ও পান্থপথ এলাকায় যানজট দেখা গেছে। বিধিনিষেধ কার্যকরে সড়কে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতাও আগের চেয়ে কম দেখা গেছে।
রোববার সকালে কারওয়ান বাজার মোড়ে যানজট দেখা যায়। সেখান থেকে যানজট কখনো কখনো ফার্মগেট, পান্থপথ, বাংলামোটর ও হাতিরঝিল পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। এ ছাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও বিজয় সরণি এলাকায়তেও যানজট দেখা গেছে। অন্যদিকে, শাহবাগ, মৎস্য ভবন ও পল্টন এলাকায় সড়কের মোড়কেন্দ্রিক কিছুটা চাপ দেখা যায়।
কারওয়ান বাজারে কর্তব্যরত তেজগাঁও জোনের ট্রাফিক পরিদর্শক আনোয়ারুল কবির বলেন, সপ্তাহের প্রথম দিন হওয়ায় যানবাহনের চাপ একটু বেশি। তবে তুলনামূলকভাবে কারওয়ান বাজারকেন্দ্রিক যানজট একটু বেশি। এর মূল কারণ হলো মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে গেছে। স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলতে পারছে না। এজন্য কারওয়ান বাজারে সঙ্গে যুক্ত ফার্মগেট, পান্থপথ, পল্টন ও হাতিরঝিলের রাস্তায় যানজট একটু বেশি।
আনোয়ারুল কবির আরও জানান, রোববার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ছয়টি মামলা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আটটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। গাড়িগুলোয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা, ট্রাফিক আইন না মানাসহ নানা কারণে এসব মামলা দেওয়া হয়। বিধিনিষেধ ভঙ্গের কারণেও মামলা হচ্ছে। তবে মানবিক দিকটি বেশি বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Maldives (Hulhumale Island) 3D/2N
সিঙ্গাপুর ভিসা (চাকুরীজীবী)
USA Visa (for Businessman)
পল্টন-গুলিস্তানের আশপাশ এলাকায় রিকশা চালান মো. সাইফুল। তিনি বলেন, পল্টন-গুলিস্তান এলাকায় তেমন যানজট নেই। কিন্তু কাকরাইলের দিকে হালকা যানজট আছে। পল্টন মোড়ে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরাও একই কথা জানান। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয় ২৩ জুলাই। এ বিধিনিষেধ ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩০৪ বার পড়া হয়েছে





