নওগাঁর ধামইরহাটে খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমি ফল তরমুজ। অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি দামে কেজির মাপে এসব তরমুজ বিক্রয় করলেও নজরদারি নেই কর্তৃপক্ষের। ফলে ক্রেতা সাধারণের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ফতেপুর বাজার, আমাইতাড়া, ধামইরহাট উপজেলা গেটের সামনে, মঙ্গলবাড়ি বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ২৫ থেকে ৩০ টাকার তরমুজ একলাফে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হতে দেখা গেছে।

অভিযোগ উঠেছে বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ক্রেতা সাধারণের কাছে চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন। অথচ মাঠ পর্যায়ে তরমুজের দাম অনেক কম হলেও বাজারে কেন চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে তার সদুত্তর মিলেনি। শুধু তাই নয় পাইকারি বাজারে দোকানিরা প্রতি পিস হিসেবে তরমুজ কিনলেও খুচরা বাজারে তারা বিক্রি করছেন কেজির মাপে। ফলে তরমুজের দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা।

বাজারে তরমুজ কিনতে আসা আব্দুর রহমান বলেন, তিনদিন আগে তরমুজ কিনেছি তিরিশ টাকা কেজি দরে। আজ বলছে ষাট টাকা কেজি। এভাবে দাম বাড়লে কিভাবে তরমুজ কিনবো বুঝতে পারছি না।

আমাইতাড়া বাজারের তরমুজ বিক্রেতা আফতাব হোসেন জানান, জয়পুরহাটের মোকাম থেকে আমরা ২৩ হাজার থেকে প্রকার ভেদে ৩৫ হাজার টাকা চুত্তিতে ১০০ তরমুজ কিনেছি। বিক্রি করছি ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে তিনি এও বলেন আগের সপ্তাহে যে তরমুজ ১৩ থেকে ১৬ হাজার টাকায় কিনেছি তা এ সপ্তাহে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Cairo, Alexandria & Sharm El Sheikh 6D/5N

মূল্য: 57,900 Taka

কেজিতে কেনো তরমুজ বিক্রি করছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে ওই দোকানি বলেন, এ দেশে সবই সম্ভব। যেভাবে বেচবেন সেভাবেই বিক্রি হয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গণপতি রায় বলেন, বাজার মনিটরিং চলছে। বিষয়টি দেখা হবে।

Source: Ittefaq

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



২৬১ বার পড়া হয়েছে