চীন থেকে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। সংক্রমণের ব্যাপকতা ও প্রাণহানির কারণে ভাইরাসটি নিয়ে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, কী করলে এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকা যায়। এ ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকলেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব।

করোনাভাইরাস আক্রমণ করে আচমকা। ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশের পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় পাঁচ দিন সময় লাগে। প্রথম লক্ষণ হলো জ্বর। তারপর দেখা দেয় হাঁচি ও শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ফুসফুসে সংক্রমণ যত বাড়ে, শ্বাসকষ্টও তত বাড়তে থাকে। বুকে ব্যথা হতে পারে। তবে এ ব্যথার ধরন একেবারে আলাদা। গভীর বা লম্বা শ্বাস নেওয়ার সময়ে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হতে পারে। মূলত ফুসফুসে সংক্রমণজনিত প্রদাহের ফলে এ ব্যথা হয়। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের জ্বর না–ও থাকতে পারে। ক্রমে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে। তবে কাবু করে নিউমোনিয়া। অনেকের ক্ষেত্রে সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (সার্স) দেখা দেয়। ভাইরাসটি পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরিণামে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকার্যকর (প্রথমে কিডনি বিকল হয়) হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের উপায়

এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের কোনো চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। তবে সচেতন থাকলে ও কিছু নিয়ম মেনে চললে এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে অনেকাংশেই রেহাই পাওয়া সম্ভব।

• বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

• বাইরে পরা ময়লা কাপড় দ্রুত ধুয়ে ফেলতে হবে।

• বাইরে থেকে ফিরে সাবান–পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে।

• কিছু খাওয়া কিংবা রান্না করার আগে হাত ভালো করে ধুতে হবে।

• চোখ, নাক ও মুখের সংস্পর্শ থেকে যত দূর সম্ভব হাত সরিয়ে রাখতে হবে।

• সর্দি-কাশি, জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি যাওয়া যাবে না।

• অসুস্থ জীবজন্তু থেকে দূরে থাকতে হবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

বালি ৫দিন ৪ রাত

মূল্য: ২৪,০০০ টাকা

Domain Registration

মূল্য: ১,৫০০ টাকা

• খামার, গোয়ালঘর কিংবা বাজারের মতো জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে।

• কোনো পশু স্পর্শ করার পর ভালোভাবে হাত ধুতে হবে।

• অপুষ্টি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ নেন এবং যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তাঁদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

• ফলের রস এবং পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

• ডিম কিংবা মাংস রান্নার সময় ভালো করে সেদ্ধ করতে হবে।

• উচ্চ তাপমাত্রায় ও রোদে ভালোভাবে কাপড়, তোয়ালে, চাদর ইত্যাদি শুকিয়ে নিতে হবে।

• ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের যতটা সম্ভব গণপরিবহন এড়িয়ে চলতে হবে।

ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লালবাগ, ঢাকা।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৪৩৪ বার পড়া হয়েছে