ঘরের যেসকল জিনিস দ্রুত ময়লা হয় সেগুলোর মধ্যে কার্পেট অন্যতম। কার্পেট পরিষ্কার করা বেশ কষ্টসাধ্য। অথচ ঘরের কার্পেটটি পরিষ্কার রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কার্পেটে আমরা বসি, হাঁটাহাটি করি, অনেক সময় এই কার্পেটের উপর আমরা খাবার খেয়ে থাকি। কার্পেটে একবার দাগ লাগলে তা দূর করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু কৌশলে কার্পেট থেকে জেদী দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক উপায়গুলো সম্পর্কে।
১। টমেটো কেচাপের দাগ
খাবার খাওয়ার সময় কার্পেটের উপরে টমেটোর কেচাপ বা সসে পড়তে পারে। এই দাগ দূর করার জন্য দাগের উপর ভিনেগার দিয়ে রাখুন এক ঘন্টা। তারপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২। ফলের রস
ফলের রসের দাগ দূর করতে শেভিং ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ফলের রসের উপর কিছু পরিমাণ শেভিং ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এবার ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার একটি ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে স্ক্রাব করুন। স্পঞ্জের পরিবর্তে টুথব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ভেজা কাপড় দিয়ে স্থানটি মুছে ফেলুন।
৩। গ্রিসের দাগ
গ্রিসের দাগের উপর একটি কাগজ দিয়ে ঢেকে দিন। এবার এর উপর হেয়ার স্প্রে করুন। লক্ষ্য রাখবেন কাগজটি যেন হেয়ার স্প্রে দিয়ে সম্পূর্ণভাবে ভিজে যায়। এভাবে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর কার্পেটটি ধুয়ে ফেলুন। যদি দেখেন দাগটি রয়ে গেছে, এই কাজটি আবার করুন।
৪। তেলের দাগ
যেকোনো তেলের দাগ তোলার জন্য কার্পেট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। তারপর সেই স্থানটি ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই কাজটি করতে টুথব্রাশ ব্যবহার করুন।
ফিচার বিজ্ঞাপন
ইস্তানবুল ও কাপাডোসিয়া ৫দিন ৪ রাত
Dubai (City tour- Dhow cruise- Desert safari) 4D/3N
কানাডা ভিসা
৫। ওয়াইনের দাগ
ওয়াইনের দাগের উপর টিস্যু পেপার দিয়ে ওয়াইন শুষে নিন। এরপর তার উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।
৬। মার্কারের দাগ
মার্কারের জেদি দাগ দূর করতে ভিনেগার যথেষ্ট। মার্কারের দাগের উপর কিছু পরিমাণ ভিনেগার স্প্রে করুন। তারপর সেটি ঘষুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন দাগ অনেকটা হাল্কা হয়ে গেছে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
২৯৮ বার পড়া হয়েছে





