পালস অক্সিমিটার কাজ করে দুই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো যা রক্তের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি দিয়ে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বোঝা যায়। পাশাপাশি হার্টবিট কত দ্রুতগতিতে কাজ করছে সেটিও জানা যায়।

* ১২ বছর বয়সীদের অক্সিজেন স্যাচুরেশন সাধারণত ৯২ থেকে ৯৮ শতাংশ থাকে (কিছু গাইডলাইনে ৯৩)। পূর্ণবয়স্ক মানুষের হার্ট রেট প্রতি মিনিটে থাকে ৬০ থেকে ১০০ বিট। তাই আঙুলে অক্সিমিটার দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড সময় নিন। এরপর যে ফলাফল আসবে সেটিই আসল।

* অনেকে ভয়ে কিছুক্ষণ পর পর অক্সিজেনের মাত্রা মাপা শুরু করেন। এক বা দুই ভাগ ওঠানামা করলেই চিন্তায় পড়ে যান, যা করা উচিত নয়।

* দিনে তিন বা চারবারের বেশি মাপার দরকার নেই। একবার ৯২ শতাংশের কম দেখা যায়, সে ক্ষেত্রে একটু সময় দিয়ে আবার পরীক্ষা করুন।

* নখে নেইলপলিশ দেওয়া থাকলে, হাত অনেক বেশি ঠাণ্ডা হলে অক্সিমিটার ভুল ফলাফল দিতে পারে। এসব নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

ফিচার বিজ্ঞাপন

চায়না ভিসা (চাকুরীজীবী)

মূল্য: ১০,০০০ টাকা

US Student Visa

মূল্য: 5,000 Taka

* ফুসফুসের কিছু রোগ, ওবেসিটি ইত্যাদিতে অনেক সময় দেহের অক্সিজেনের স্বাভাবিক মাত্রা কম থাকে।

* ব্যায়াম করলে, দৌড়ানোর পর, ঘুম থেকে ওঠার পরপরই অক্সিজেনের মাত্রা অনেক সময় কম হতে পারে।

* কোভিড রোগীর অক্সিজেনের মাত্রা ৯২ শতাংশের কম হলে এবং নিজে নিজে ঠিক না হলে, শ্বাসকষ্ট হলে বা কথা আটকে গেলে, মুখ-ঠোঁট নীল হয়ে এলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যাওয়া উচিত। এসব উপসর্গের যেকোনো একটি হলেও হাসপাতালে যাওয়া উচিত।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৬৮ বার পড়া হয়েছে