কোভিড-১৯ মহামারির কারণে গত ২৩ মার্চ থেকে বিশ্বের আনুমানিক ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন শিক্ষার্থী স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুপস্থিত থাকতে বাধ্য হয়েছে। দেশব্যাপী সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে বিশ্বের ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দূরত্ব বজায় রাখছে। অন্যদিকে আরও ২৮৪ মিলিয়ন শিক্ষার্থী স্থানীয় বিভাগের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অনলাইন এডুকেশনের চ্যালেঞ্জ
১. অনলাইন শিক্ষার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো যথাযথ অবকাঠামো নির্মাণ। যেহেতু অনেক অঞ্চলে স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নেই এবং গ্রামীণ অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীর কাছে ইন্টারনেট সংযোগ করতে পারে এমন স্মার্ট ডিভাইস নেই।

২. লোডশেডিংয়ের কারণে অনলাইন প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হওয়ায় এটিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৩. শিক্ষক ও মাতা–পিতার মধ্যে সচেতনতার অভাব এবং এক অজানা ভয় বিদ্যমান।

৪. শিক্ষার্থীরা যদি কেবল ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিখতে থাকে, তবে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলার অভাব ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা শেখার অনুপস্থিতি পরিলক্ষিত হবে। যেমন যোগাযোগ ও সামাজিক দক্ষতা।

৫. সঠিক মূল্যায়ন–ব্যবস্থার অভাব থাকার ফলে স্পষ্ট গ্রেডিং সিস্টেম নিশ্চিত করা এখনকার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

অনলাইন এডুকেশনের ভবিষ্যৎ:

১. শেখার উপকরণগুলোর বিস্তৃত পরিসরে ভাগ করা যায়, সেগুলো ক্লাসের সময় সঠিকভাবে মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করা সম্ভব।

২. ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে সেই সব প্রত্যন্ত স্থান, যেখানে স্কুল ও কলেজগুলো বাস্তবায়িত হতে পারে না, সেখানেও পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Kandy- Nuwara Eliya- Galle & Colombo 6D/5N

মূল্য: 36,900 Taka

Hanoi, Halong, Halong Bay Cruise 5D/4N

মূল্য: 32,900 Taka

Premium Villa

মূল্য: ১৩,৫০০ টাকা/রাত

৩. প্রচুর সময় বাঁচায়।

৪. ই-লার্নিংয়ের ফলে বিশ্বজুড়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সংযোগ করা সম্ভব হয়।

৫. ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রচুর প্রয়োগসংক্রান্ত ব্যয় হ্রাস করে।

প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন:
ডিজিটাল লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যোগাযোগসরঞ্জাম ও ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মগুলো এই মহামারি চলাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশনগুলো শেখার প্রক্রিয়া পরিচালনা, পরিকল্পনা, সরবরাহ এবং ট্র্যাকিং শেখার সরবরাহকারীদের সহায়তা করতে পারে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে প্রায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ, এই স্থবিরতা শিক্ষার্থীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন অসংখ্য দায়িত্বশীল শিক্ষক। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে শিক্ষা প্রদানের জন্য বিকল্প পন্থা বেছে নিয়েছে। নতুন এই পরিস্থিতিতে আপনিও পারেন প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার নিরবচ্ছিন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে।

থ্রাইভ এবং দীক্ষা অ্যাপ্লিকেশন দুটি এই দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় সবচেয়ে সিম্পল ও কার্যকর অনলাইন ক্লাসরুম প্ল্যাটফর্ম। এগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিরবচ্ছিন্নভাবে শিক্ষা প্রদান সম্ভব হচ্ছে।

*লেখক: অধ্যাপক, আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৪৩৭ বার পড়া হয়েছে