সম্ভাব্য পুঁজি: ১০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত

সম্ভাব্য লাভ: একটি ভালো জাতের কোয়েল বছরে ২৫০-৩০০টি ডিম দেয়। এই ডিমগুলোর প্রায় প্রতিটি থেকেই বাচ্চা পাওয়া যায়। ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার ছয়-সাত সপ্তাহের মধ্যেই বাচ্চা বিক্রি করা যায়। ৫০-৬০টি কোয়েল নিয়ে খামার শুরু করলে খরচ বাদে বছরে প্রায় ২-৩ লাখ টাকা লাভ হয়।

সুবিধা: কোয়েল পালনে খরচ খুবই কম। রোগবালাই কম, তাই ঝুঁকিও কম।

প্রস্তুত প্রণালি: খাঁচায় কোয়েল পালন করা সবচেয়ে ভালো। কোয়েলের খাঁচার দৈর্ঘ্য হবে ১৩০-১৫০ সেন্টিমিটার। প্রস্থ ৬০-১০০ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতা ২৫-৪০ সেন্টিমিটার। এ ধরনের একটি খাঁচায় ৬০-১০০টি কোয়েল পালন করা যায়। একটি খাঁচার ওপর আরেকটি খাঁচা স্থাপন করা যায়। কোয়েলের জন্য খাবার এবং পানির ব্যবস্থা খাঁচাতেই রাখতে হবে। যদিও খাঁচা সব সময় শুষ্ক রাখতে হবে।

বাজারজাতকরণ: বাজারে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পাইকারিভাবে ডিম ও বাচ্চা বিক্রি করতে পারেন। রোগীর পথ্য হিসেবে বাচ্চা কোয়েলের বেশ চাহিদা রয়েছে।

এর জন্য বিশেষ কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। তবে কোয়েল পালনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনুন

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনু...



৯৯০ বার পড়া হয়েছে