দিনভর এক অদ্ভুত ক্লান্তি আর অবসাদ। চলুন এক নজরে দেখে নিই এই ক্লান্তির কারণ কি হতে পারে।

  •  রাতে ভালো ঘুম না হলে দিনের বেলা একটা ক্লান্তি ভর করে। রাতে মোটামুটি সাত থেকে আট ঘণ্টার একটা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম দরকার। খেয়াল করুন, তা হচ্ছে কি না।
  •  মোটা মানুষের রাতে ঘুমের মধ্যে স্লিপ এপনিয়া বলে একটা সমস্যা হয়। এতে ঘুমের মধ্যেই মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়, ফলে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। পরমুহূর্তেই রোগী আবার ঘুমে তলিয়ে যায় বলে বুঝতে পারে না। কিন্তু এতে ঘুমের চক্রের যে ব্যাঘাত ঘটে, তাতে সারা দিন ঘুম-ঘুম ভাব থাকে। স্লিপ এপনিয়া থাকলে ওজন কমাতে হবে, ধূমপান ছাড়তে হবে।
  •  অতিরিক্ত ডায়েট, পুষ্টিকর সুষম খাদ্যের অভাব আপনাকে ক্লান্ত করে দিতে পারে। যথেষ্ট আমিষ ও জটিল শর্করা খেতে হবে প্রতি বেলায়। খাবারে থাকতে হবে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ।
  •  ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা অবসাদের একটা বড় কারণ। কোনো কিছুতে উৎসাহ না পাওয়া, সবকিছুতে নেতিবাচক ধারণা, রুচি ইত্যাদি থাকতে পারে সঙ্গে।
  • থাইরয়েড হরমোনের অভাবজনিত রোগে অবসাদগ্রস্ত লাগতে পারে। এনার্জি লেভেল কমে যেতে পারে। খেয়াল করুন, হঠাৎ ওজন বেড়ে যাচ্ছে কি না। মাসিকে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, চুল ও ত্বকের সমস্যা ইত্যাদি থাকতে পারে এ রোগে।
  •  ডায়াবেটিসের রোগীদের ক্লান্ত, নিস্তেজ লাগে। বিশেষ করে, যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস আছে ও প্রস্রাবে শর্করা যাচ্ছে।
  •  দিনের বেলা যথেষ্ট পানি পান না করলে পানিশূন্যতা হতে পারে। ফলে কাজকর্মের বা হাঁটাহাঁটির সময় ক্লান্ত বোধ করতে পারেন। তাই খেয়াল করুন, প্রচুর পানি পান করা হচ্ছে কি না।

সহযোগী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
সোর্স – প্রথম আলো

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৯৬৯ বার পড়া হয়েছে