খোলামেলা পরিসরে রান্নাঘর বা ওপেন কিচেন—বাসাবাড়িতে এই ধারণা পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশেও ইদানীং এমন ধারণার রান্নাঘর দেখা যাচ্ছে অনেক বাড়িতে কিংবা ফ্ল্যাটে। সাধারণত বসার ঘর বা খাবার ঘরের লাগোয়া থাকে এই রান্নাঘর। ওপেন কিচেনের সুবিধা হলো, অন্য ঘরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় পরিবারের সবার সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে শেষ করা যায় রান্নার কাজ।

ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিজেদের খাবার ঘরের সঙ্গেই এমন রান্নাঘরের কিচেনের ব্যবস্থা রেখেছেন এস বি এ সিদ্দিকী ও আইনজীবী তাসনিয়া প্রধান দম্পতি। দীর্ঘদিন তাঁরা ছিলেন ইংল্যান্ডে। তাসনিয়া প্রধান বলছিলেন, সেখানে সারা দিন বাইরে কাজ শেষে ঘরে ফিরে রান্নার কাজটুকু নিজেদেরই করতে হতো। আবার সন্তানদের সময় দেওয়ার ব্যাপারও ছিল। সেই সময়ে রান্না করতে করতেই ওদের সঙ্গে সময় কাটানো যেত। যখন দেশে ফিরলেন, ঢাকার বাসাতেও তৈরি করলেন ওপেন কিচেন।

ন্যূনতম ১০০ বর্গফুট জায়গা থাকলেই তৈরি করা যায় ওপেন কিচেন। সেটা খাবার ঘরের সঙ্গে হলেই ভালো। এ ধরনের রান্নাঘরে অবশ্যই কিচেন হুড বা চিমনির ব্যবস্থা রাখতে হবে। না হলে পুরো ঘর ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে যাবে। চুলার পেছনের দিকে এখন টিনজাতীয় একধরনের ধাতব উপাদান পাওয়া যায়, তা ব্যবহার করা যেতে পারে। না হলে অবশ্যই টাইলস ব্যবহার জরুরি। রান্নার কাজ শেষ হলে পুরো জায়গা দ্রুতই পরিষ্কার করে নিতে হবে।খোলা রান্নাঘরে আসবাব হোক ছিমছাম ওপেন কিচেনে খুব বেশি আসবাব না রাখাই ভালো। হালকা ছিমছাম আসবাব আর আসবাবে গাঢ় রঙের ব্যবহার এ ধরনের রান্নাঘরকে করে দৃষ্টিনন্দন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ওপেন কিচেন তৈরির সময় এই বিষয়গুলো তো খেয়াল রাখা দরকার। পাশাপাশি রান্নার ব্যাপারেও কিছু সতর্কতা মেনে চলা ভালো। ওপেন কিচেনে খুব বেশি ঝোল মসলাদার খাবার রান্না না করা ভালো। অতিরিক্ত তেল মসলার ঝাঁজ সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে, যা পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। শুধু হালকা রান্নার জন্য ওপেন কিচেন ব্যবহার করতে হবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

USA Visa (Private Job Holder)

মূল্য: 5,000 Taka

কুনমিং ৪ দিন ৩ রাত

মূল্য: ৪২,৯০০ টাকা

খোলা রান্নাঘরে আসবাব হোক ছিমছামখাবার বা মসলা রাখার পাত্রগুলো যেন নান্দনিক হয়, এদিকটায় বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। না হলে বাইরের লোকের কাছে তা দৃষ্টিকটু মনে হতে পারে। এ ধরনের রান্নাঘরে খুব বেশি খোলা তাকের ব্যবস্থা না রাখাই ভালো। এর পরিবর্তে হালকা ওয়াল ক্যাবিনেটের ব্যবহার করা যেতে পারে। রান্নাঘরে কাপড়ের পর্দা ব্যবহার না করে এর পরিবর্তে বাঁশের চিক না হলে ভার্টিক্যাল ব্লাইন্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া সাধারণ আলোকসজ্জার বাইরে বিশেষ বিশেষ জায়গাকে ফোকাস করে ব্যবহার করা যেতে পারে স্পট লাইট।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৫০৩ বার পড়া হয়েছে