গর্ভবতী হওয়া প্রতিটি মায়ের জন্য সম্মানের। তবে সামান্য ভুল হলে ঝুঁকিতে পড়তে পারে গর্ভাবস্থা। সব মা চান নিরাপদ থাকুক তা গর্ভকালীন সময়টা। এক্ষেত্রে তাদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. দীনা লায়লা হোসেন। তিনি বলেন, একজন মা গর্ভবতী হলে সাধারণত নরমাল ডেলিভারি চান।  কিন্তু এটা নির্ভর করে মা ও বাচ্চার অবস্থার ওপর। আপনি কি চাচ্ছেন সেটা জানার পর চিকিৎসক সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে পারবেন আপনাকে।

আমি বলবো, আপনি মনকে সম্পূর্ণরূপে স্থির রাখুন।  নিয়মিত চেকআপ করুন।  নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করা যায়। তবে এটা হবে কিনা তা বলা যায় না। আগাম ডেলিভারির হওয়ার অনেকগুলো লক্ষণের মধ্যে প্রথম হচ্ছে বমি হওয়া। খেতে না পারা। আপনার হরমোনের পরিবর্তন হওয়াও আগাম প্রেগনেন্সির কারণ হতে পারে।  চাইলেই এটা সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে পারবেন না। বমিও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা সম্ভব না।

তবে কিছু ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। বমির ওষুধ ছাড়াও খাবারের অভ্যাস পরিবর্তন করা যেতে পারে। বমির ওষুধ খেলে অবশ্যই খাবারের আধাঘণ্টা আগে খেতে হবে। সকালবেলা ওষুধ খাওয়ার পর আধাঘণ্টার মধ্যে কোন খাবার খাওয়া যাবে না।

ফিচার বিজ্ঞাপন

USA Visa (Private Job Holder)

মূল্য: 5,000 Taka

দুবাই ও তুরস্ক ৭দিন ৬ রাত

মূল্য: ৫৫,৯০০ টাকা

Australia Visa (for Private Service Holder)

মূল্য: 20,000 Taka

একটু নির্মল বাতাসে বসতে পারেন। বই পড়তে পারেন। আধাঘণ্টা পরে শুকনো খাবার দিয়ে খাবার শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে মুড়ি, চিড়া, টোস্ট বিস্কুট খেতে পারেন। পরবর্তীতে সকালের ভারি নাস্তা গ্রহণ করতে পারেন। তাহলে বমি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যাবে। একসাথে অনেক বেশি খাবার খাওয়া যাবে না। বেশি সমস্যা হলে সন্ধ্যায় আরেকটি বমির ওষুধ খেতে পারেন একই নিয়মে।

প্রেগনেন্সি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে খুব সহজে হজমযোগ্য খাবার খেতে হবে।  এক্ষেত্রে ফল, শাক-সবজি বেশি খেতে হবে। ফাস্টফুড ও ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



২৯১ বার পড়া হয়েছে