ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি) ঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে। গৃহঋণের সীমা এক কোটি ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই কোটি টাকায় উন্নীত করে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিএইচবিএফসি। ৯ শতাংশ সরল সুদে (সুদের ওপর সুদ নয়) দেয়া হবে এই ঋণ।
তবে এ ঋণ দেয়া হবে শুধু ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নত কিছু এলাকায়। ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা, উত্তরা, লালমাটিয়া এবং ডিওএইচএস (মহাখালী, বারিধারা, বনানী, মিরপুর) এলাকার সরকারি প্লটের জন্য প্রযোজ্য হবে। এছাড়াও চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, চান্দগাঁও, কর্ণেলহাট, বাকলিয়া, কল্পলোক আবাসিক এলাকার সরকারি প্লট এবং খুলশী আবাসিক এলাকার জন্যও প্রযোজ্য হবে।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণে একক ব্যক্তি এখন দুই কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। আর গ্রুপ করে ঋণ নিলে প্রতিজনে পাবেন এক কোটি ২০ লাখ টাকা করে।
ফ্ল্যাট কেনার জন্যও গ্রাহকেরা এক কোটি ২০ লাখ টাকা করে ঋণ পাবেন। BHBFC ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী বলেন, ‘ঢাক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের যেসব এলাকায় সরকারি প্লট আছে, সে এলাকায় বাড়ি নির্মাণের জন্য দুই কোটি পর্যন্ত এবং ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়া হবে। যেসব এলাকায় ঋণ দিলে আমাদের কিস্তিগুলো আদায় হবে সেসব এলাকাতেই এসব ঋণ দিচ্ছি। এসব ঋণের জন্য ৯ শতাংশ সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে।’
ফিচার বিজ্ঞাপন
Premium Villa
Vietnam & Cambodia 9D/8N
Australia Visa (for Private Service Holder)
বর্তমানে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) তিন কাঠা ও পাঁচ কাঠা জমিতে বিভিন্ন শর্তে ১০তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের অনুমতি দিচ্ছে। বিএইচবিএফসি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ৭ হাজার ৯০০ থেকে ৮ হাজার বর্গফুট পর্যন্ত বহুতল বাড়ি নির্মাণে এক কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে আসছিল। কিন্তু এ ঋণ নিয়ে গ্রাহকেরা চাহিদা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করতে পারছিলেন না। এ পরিপ্রেক্ষিতে ঋণের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪৪৮ বার পড়া হয়েছে




