বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতকে চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের গতি বাড়াতে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। বৃহস্পতিবার রেলভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুয়া সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এই অনুরোধ জানান।

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে চীনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পসহ অনেক বড় প্রকল্পে কাজ করছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি।’ কাজেই কাজের গুণাগুণ ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে ঠিকাদারকে চাপে রাখার জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সারাদেশকে পর্যায়ক্রমে ডুয়েলগেজে রুপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ এজন্য চীন সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানান। এ সময়ে রেলপথমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে সহায়তার জন্যও রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান।

বৈঠকে বর্তমানে চলমান এবং ভবিষ্যতে চীনের অর্থায়নে গৃহীত সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে জি টু জি ভিত্তিতে যে ৪টি প্রকল্প চলছে, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, ঈশ্বরদী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ, আখাউড়া-সিলেট সেকশনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর প্রকল্প এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ-জামালপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।

ফিচার বিজ্ঞাপন

কলম্বো ৩দিন ২ রাত

মূল্য: ১৭,৯০০ টাকা

USA Visa (Private Job Holder)

মূল্য: 5,000 Taka

Australia Visa (for Private Service Holder)

মূল্য: 20,000 Taka

বাংলাদেশে হাইস্পীড ট্রেন নির্মাণে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন এখন উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে উচ্চ গতির ট্রেন চালাচ্ছে। এ দেশে আমরা দ্রুত গতির ট্রেন নির্মাণে আগ্রহী। এছাড়া চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের গতি বাড়ানোর বিষয়ে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।’

বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কাজী মো. রফিকুল আলম এবং প্রকল্প পরিচালকগণসহ সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,০২২ বার পড়া হয়েছে