এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ বাবদ পরিশোধ করা অর্থের মধ্যে চার খাতের টাকা ফেরত পাবে। এগুলো হচ্ছে, বিষয় মূল্যায়ন, ব্যবহারিক, কেন্দ্র ও আইসিটি।
অব্যয়িত অর্থ হিসেবে এই অর্থ ফেরতের ব্যাপারে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এটি মন্ত্রণালয়সহ শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কলেজ-মাদ্রাসায় পাঠানো হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত রোববারের এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়ন বাবদ ধার্যকৃত অর্থ এবং ব্যবহারিক ও কেন্দ্র ফি আদায় করা অর্থ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটির ১৫৮তম সভায় ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যেসব পরীক্ষার্থী পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছিলেন তাদের প্রতি পত্রের জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফি থেকে পত্রপ্রতি ৩০ টাকা করে এবং ব্যবহারিক বিষয়ের ক্ষেত্রে পত্রপ্রতি আরও ১০ টাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে ফেরত দেওয়া হবে।
এই অর্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে। সেখান থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীপ্রতি ২০০ টাকা করে এবং আইসিটিবিষয়ক পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত আরও ২৫ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। আইসিটি ছাড়া সব ব্যবহারিক বিষয়ের ক্ষেত্রে পত্রপ্রতি অতিরিক্ত ৪৫ টাকা করে ফেরত দেওয়া হবে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
দুবাই ও তুরস্ক ৭দিন ৬ রাত
Vietnam & Cambodia 9D/8N
শেনজেন ভিসা প্রসেসিং (বিজনেসম্যান)
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফরম পূরণ বাবদ আদায় করা অর্থের ১০ শতাংশ এবং আইসিটি ব্যবহারিক বিষয়ের জন্য আদায় করা ফি থেকে পরীক্ষার্থীপ্রতি ২০ টাকা ফরম পূরণ ও আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ব্যয় নির্বাহ করবে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীপ্রতি সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে ১৬০ টাকা হারে প্রদান করবে। এই অর্থ পরীক্ষার গোপনীয় কাগজ পরিবহন ও বোর্ডে জমাদান, সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহ করবে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৩৭ বার পড়া হয়েছে





