সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়াল করলেন চোখ ফুলে লাল হয়ে আছে, চোখের পাতায় ফুসকুড়ির মতো হয়েছে। প্রচণ্ড ব্যথায় চোখের পলক ফেলাই দায়। এ সমস্যাটি অঞ্জনি হিসেবে পরিচিত। চিন্তিত হওয়ার মতো কোনো শারীরিক সমস্যা না হলেও, এটা বেশ যন্ত্রণাদায়ক এবং বিব্রতকর।

চোখে ব্যথা, ফোলাভাব, সংবেদনশীলতা, জ্বালা করা, চুলকানি, পলক ফেলতে সমস্যা, চোখে প্রচুর ময়লা জমা ইত্যাদি চোখে অঞ্জনি হওয়ার লক্ষণ। সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই অঞ্জনি আপনা আপনি ভালো হয়ে যায়। তবে প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করার কিছু ঘরোয়া উপায়ও রয়েছে। আক্রান্ত চোখে গরম সেঁক দিলে দারুণ ফল পেতে পারেন। গরমে পুঁজ বেরিয়ে অঞ্জনি ভালো হয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি। একটি পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে কাপড়টি ভালোমতো চিপে নিয়ে চোখের ওপর ৫-১০ মিনিট রাখুন। কোনোরকম চাপ দেবেন না। দিতে ৩-৪ বার সেঁক দিন।

কাপড়ের পরিবর্তে গরম টি ব্যাগও ব্যবহার করতে পারেন। ব্ল্যাক টি সবচেয়ে ভালো কাজ করে, কারণ এতে থাকে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। প্রথমে এক কাপ গরম পানিতে একটি টি ব্যাগ দিন। কিছুক্ষণ রেখে টি ব্যাগটা বের করে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে চোখের ওপর রাখুন টি ব্যাগটা। ৫-১০ মিনিটের মতো রাখলেই হবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

কলম্বো ৩দিন ২ রাত

মূল্য: ১৭,৯০০ টাকা

Vietnam & Cambodia 9D/8N

মূল্য: 75,900 Taka

অঞ্জনি হলে মেকআপ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। অঞ্জনি হওয়া অবস্থায় মেকআপ করলে ব্রাশ বা অন্যান্য জিনিসে ব্যাকটেরিয়া চলে যেতে পারে। সেটা যে ব্যবহার করবে তার চোখেও অঞ্জনি হতে পারে। লেন্স ব্যবহার করাও এড়িয়ে চলুন। নিজে নিজে সুঁচ দিয়ে অঞ্জনি গলাবার চেষ্টা করবেন না। প্রয়োজনের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক মলম ও ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করতে পারেন। সপ্তাহ খানেক পরও অঞ্জনি ভালো না হলে বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৪৬৭ বার পড়া হয়েছে