বৈশাখের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছিল গ্রীষ্ম। ক্রমে তাপমাত্রা বেড়েছে। আর মাসের মাঝামাঝি এসে দেখা যাচ্ছে বৈশাখের রুদ্ররূপ। শনিবার থেকে গত সাত বছরের রেকর্ডই ভেঙেছে সারাদেশের তাপমাত্রা। ওই দিন যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সারা দেশেই তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও ঢাকায় তাপ অনুভূতিটা একটু বেশি। এর পেছনে ছয়টি কারণ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- দিনের ব্যাপ্তিকাল রাতের তুলনায় বড় হওয়ায় রাতে তাপ বিকিরণ করে ধরণি ঠাণ্ডা করতে পারে না; সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কম; ঢাকায় অতিমাত্রায় এসির ব্যবহার; গাড়ির কার্বন বা কালো ধোঁয়া; ঢাকার আশপাশের ইটভাটার কার্বন; ঢাকা কেন্দ্রিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসরিত দূষিত পদার্থ। সূর্য মানবসৃষ্ট কারণগুলোকে আরও প্রভাবিত করায় গরম তুলনামূলক বেশি অনুভূত হচ্ছে।
আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ঢাকায় বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে। তা না হলে মানুষের অনেক ঘাম হতো। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো পারতো।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Singapore Tour with Sentosa 4D/3N
Dubai (City tour- Abu Dhabi tour) 4D/3N
মৈনট ঘাট প্রাইভেট ডে লং ট্যুর
Source: Ittefaq
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩১২ বার পড়া হয়েছে





