মূলতঃ ট্রাভেল এজেন্সি হলেও এই ব্যবসার ধরণ, গ্রাহক, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ইত্যাদি অনেকটাই আলাদা। আপনার যদি নিজের পর্যাপ্ত ট্রেকিংয়ের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা থাকে তবেই ভাবুন এই ব্যবসা শুরুর কথা। পাশাপাশি দরকার পাহাড়ের প্রতি ভালবাসা ও প্যাশন।

ট্রেকিং এজেন্সিও একটি অল্পপুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা। কারণ ট্রেকিংয়ের জন্য অনেকেই এখন ভরসা করেন এজেন্সির ওপর। বিভিন্ন ট্রেকিং রুটের হালহকিকত্ জানা এই ব্যবসা শুরুর পূর্বশর্ত। জানা শোনা থাকতে হবে স্থানীয় গাইড ও অন্যান্য মানুষের সঙ্গেও। নিজের বন্ধু বান্ধব পরিচিতদের নিয়ে যাওয়া দিয়েই শুরু করতে পারেন। সতর্কভাবে পুরোটা পরিকল্পনা করে নিতে হবে আগে।

একবার ট্রেক শুরু করার পর কোনও ভুল শোধরানোর সুযোগ পাবেন না। ফলে যাত্রা শুরুর আগেই নিশ্চিত করে নিতে হবে প্রয়োজনীয় প্রতিটি বিষয়ে ঠিকমতো খেয়াল করেছেন। সামান্য অসাবধানতা এক্ষেত্রে মারাত্মক প্রমাণিত হতে পারে। এর পাশাপাশি ট্রেকিংয়ে প্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিস বিক্রি ও ভাড়া দেওয়ার ব্যবসাও শুরু করতে পারেন। তাঁবু, স্লিপিং ব্যাগ, ম্যাট্রেস সহ একাধিক জিনিস প্রয়োজন পড়ে ট্রেকারদের, বছরে একবার যাওয়ার জন্য বেশিরভাগই এগুলো না কিনে ভাড়া করে নিয়ে যাওয়াই সহজ মনে করেন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Singapore Tour with Sentosa 4D/3N

মূল্য: ২৪,৯০০ টাকা

Maldives (Hulhumale Island) 3D/2N

মূল্য: ১৩,৯০০ টাকা

অল্প পুঁজিতে আপনি কিনে নিতে পারেন কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস, ব্যবহার করতে পারেন নিজের এজেন্সির কাজে বা ভাড়া দিতে পারেন অন্য ট্রেকারদের। এছাড়াও যদি ট্রেকিং শ্যু, জ্যাকেট, রুকস্যাক ইত্যাদি তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন তাও হতে পারে লাভজনক বিজনেস।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৪৩২ বার পড়া হয়েছে