সম্ভাব্য পুঁজি:২০০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০০ টাকা পর্যন্ত
সম্ভাব্য লাভ:মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
সুবিধা:এ ব্যবসার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া একবার বিনিয়োগ করলে পরিচালন খরচ ছাড়া বিশেষ আর কোন খরচ নেই।
প্রস্তুত প্রণালি:প্রথমেই ডে কেয়ার সেন্টারের জন্য নিরাপদ জায়গা বেছে নিতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমতিপত্র সংগ্রহের পর ডে কেয়ার সেন্টারটি  কয়েকটি ভাগে ভাগ করে ডেকোরেশন করতে হবে। প্রধানত ঘুমানোর জায়গা, খেলার জায়গা, পড়াশোনার জায়গা গুরুত্ব সহকারে সাজাতে হবে। ছোট বাচ্চাদের দেখাশোনার জন্য প্রশিক্ষিত আয়া এবং গর্ভার্নেস নিয়োগ দিতে হবে। সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সেন্টার সাজানো হলে ফি নির্ধারণ ও সেন্টারের সুবিধা সম্বলিত বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে কাজ শুরু করতে হবে।
বাজারজাতকরণ:প্রধানত চাকরিজীবী মায়েরা তাদের সন্তানকে ডে কেয়ারে রাখেন।।
যোগ্যতা:নীতিমালা তৈরী করে তা পরিচালনা করা। বাচ্চাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Australia Visa for Lawyer

মূল্য: 20,000 Taka

কুইক সেল অফার

১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মাত্র ৩৭ লক্ষ টাকায়!

১২৩০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখি ফ্ল্যাট মা...



৩৬৩ বার পড়া হয়েছে