দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে ঢাকায় কয়েকটি ফিল্ড হাসপাতাল বানানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টার পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিঞা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আমরা ফিল্ড হাসপাতাল করার কথা চিন্তা করছি। এটা বড় আঙ্গিকে শুরু হলে আপনারা দেখতে পাবেন। এটা আমরা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে চালু করে দেবো।” শুক্রবার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম জানান, ফিল্ড হাসপাতাল করার জন্য সম্ভাব্য বেশ কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছেঃ হাটখোলায় এফবিসিসিআইয়ের ভবন, গুলশান শ্যুটিং ক্লাব, মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম, মিরপুরে পুলিশ কনভেনশন সেন্টার এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন জানিয়ে খুরশীদ আলম বলেন, “সারা শহর ঘুরে এসব জায়গা দেখেছি। রাতে মন্ত্রী মহোদয়কে এ বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনোটাই নির্ধারিত হয় নাই। তিনি নির্ধারণ করবেন।”

ফিল্ড হাসপাতালের জন্য সম্ভাব্য স্থান নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকৌশল শাখা এবং পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তারাও সঙ্গে ছিলেন বলে জানান তিনি।

ফিচার বিজ্ঞাপন

কলম্বো ৩দিন ২ রাত

মূল্য: ১৭,৯০০ টাকা

মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় প্রতিদিনই আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত সারাদেশে ১০ লাখ ৫৪৩ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১৬ হাজার ৪ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গতবছর ৮ মার্চ; যা ৯ লাখ পেরিয়ে যায় গত ২৯ জুন। সেই সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছাতে লাগল মাত্র ১০ দিন। ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে গত ১ জুলাই থেকে সারা দেশে জারি করা লকডাউনের বিধিনিষেধের মধ্যেই গত ৬ জুলাই প্রথমবারের মত দশ হাজার ছাড়িয়ে যায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। সেদিন ১১ হাজার ৫২৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে।

এরপর টানা চার দিন ধরেই দৈনিক শনাক্ত ১১ হাজারের ওপরে রয়েছে। আর টানা ১২ দিন ধরে একশরও বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে করোনাভাইরাসে। এর আগে গত ৭ জুলাই সর্বোচ্চ ২০১ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার ১৯৯ জনের মৃত্যুর পরদিন তা বেড়ে ২১২ জনে দাঁড়ায়।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩২৩ বার পড়া হয়েছে