ঢাকা শহরের যানজট কমিয়ে গাড়ির গতিবেগ বাড়াতে ইনার রিং রোড প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বহুমুখী যোগাযোগ সৃষ্টি হবে এবং শহরে গাড়ির চাপ কমবে। ৯১ কিলোমিটারের এ বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় চিন্তা করা হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা।

জানা যায়, দুটি ভাগে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। পূর্বাংশের ২৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বা এলিভেটেড বাস্তবায়ন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ সংস্থার নেতৃত্বে ওই অংশের সমীক্ষা প্রণয়নের কাজ চলছে। আর বাকি ৬৭ কিলোমিটার সড়ক এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য অনুষঙ্গ বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ)। ইতোমধ্যে এ অংশের সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকার তেরমুখ থেকে আব্দুল্লাহপুর হয়ে গাবতলী-বাবুবাজার দিয়ে ডেমরা পর্যন্ত বৃত্তাকার সড়কপথের কাজ বাস্তবায়ন করবে সওজ। বেড়িবাঁধ সড়ক ধরে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত গিয়ে ব্রিজ নির্মাণ করে কেরানীগঞ্জের ভেতর ঢুকে আবার পোস্তগোলা দিয়ে বেরিয়ে ডেমরার বালু নদীর কাছে গিয়ে শেষ হবে এ অংশ। সেখান থেকে পরবর্তীতে পাউবো বেড়িবাঁধ বা এলিভেটেড সড়ক করে রিং রোড বাস্তবায়ন করবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, বিদ্যামান বেড়িবাঁধ সড়কটি দুই লেনের। এ সড়কে আরও আটটি লেন বাড়ানো হবে। বর্ধিত ৮ লেনসহ ঢাকা রিং রোড হবে ১০ লেনের। বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নতুন করে দুটি ব্রিজ নির্মিত হবে। এগুলো হবে ৮ লেন-বিশিষ্ট।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Australia Visa for Lawyer

মূল্য: 20,000 Taka

USA Visa (Lawyer)

মূল্য: 5,000 Taka

পোস্তগোলা ব্রিজে অতিরিক্ত ৬ লেন যুক্ত করা হবে। এসব ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হবে অন্তত দুই হাজার কোটি টাকা। রিং রোডে বিরতিহীন চলাচল নিশ্চিত করতে গাবতলী, হাজারীবাগ, কদমতলী এবং চাষাঢ়ায় ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। আর বিরুলিয়া, বছিলা, পঞ্চবটি ও হাজীগঞ্জে ওভারপাস নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে পোস্তগোলা অংশে একটি ইউলুপ নির্মাণের চিন্তা করছে সওজ। আর প্রথম পর্বে ধউর থেকে গাবতলী এবং পোস্তাগোলা থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ কাজ বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় চিন্তা করা হয়েছে দুই হাজার ১০০ কোটি টাকা।

Source: Jugantor

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৯৭ বার পড়া হয়েছে