ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢলে তিল ধারণের জায়গাটুকুও নেই মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিমুলিয়া ফেরিঘাটে কখনোই এত মানুষকে একত্রে দেখা যায়নি। বুধবার (১২ মে) সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে গণপরিবহন বন্ধ ও বিজিবি মোতায়েন করে কয়েকটি চেকপোস্ট বসিয়েও লোকজনকে আটকে রাখা যায়নি। সব বাধা উপেক্ষা করেই বাঁধভাঙা স্রোতের মতো ঘাটে ছুটছে মানুষ। নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয় ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি মেলার পর শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে।
ফেরিঘাটের আশপাশ থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জেলে নৌকাসহ ট্রলারে যাত্রীরা পদ্মা নদী পার হওয়ার চেষ্টা করে অনেক যাত্রী। বিআইডব্লিউটিসির এজিএম মো. সফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঈদের মাত্র এক দিন বাকি। তাই চাপ প্রবলভাবে বেড়েছে। অবস্থা এমন যে, স্বাস্থ্যবিধি তো দূরের কথা নিয়মকানুন কিছুই মানতে চাচ্ছে না কেউ। এই রুটে সচল ১৫টি ফেরিই চলাচল করছে এখন।
জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানিয়েছেন, ঢল থামানো যাচ্ছে না। তাই সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে সাধ্যমতো চেষ্টা চলছে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
চায়না ভিসা (চাকুরীজীবী)
মালয়শিয়া-সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ড ৭দিন ৬ রাত
সরবাটা ঘি ২৫০ গ্রাম
Source: Ittefaq
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
২৯৪ বার পড়া হয়েছে





