সম্ভাব্য পুঁজি:১০০০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০০০ টাকা পর্যন্ত
সম্ভাব্য লাভ:মাসে এক লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।
সুবিধা:কাঁচামালের সহজলভ্যতা রয়েছে ।
প্রস্তুত প্রণালি:প্রথমেই রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধানের তুষকে অর্ধেক পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন করা হয়। এরপর পাইপের সাহয্যে ওয়াটার ট্যাংকের মধ্যে প্রবাহিত করা হয়। পর্যায়ক্রমে কাঠের শুকনো গুঁড়া ভর্তি ৪টি ফিল্টার পর পর সাজিয়ে এর মধ্যে দিয়ে ঐ গ্যাস প্রবাহিত করা হয়। চার ধাপ শেষে আর একটি কাঠের গুড়ার ফিল্টারে প্রবেশ করিয়ে নিলে শতভাগ বিশুদ্ধ গ্যাসে পরিণত হবে।  পরে একে ডিজেল ইঞ্জিনে প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এই বিদুৎ প্রথমে মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ডে যাবে। সেখান থেকে সাপ্লাই করা যাবে ইচ্ছে অনুযায়ী।
বাজারজাতকরণ:বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সেচ প্রকল্প, আঁখ মাড়াই, পোল্ট্রি ফার্ম, মসলা উৎপাদন মেশিন, ডিশ লাইন, মোবাইল টাওয়ারসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা যাবে।।
যোগ্যতা:তুষ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া জানা দক্ষ লোকবল দরকার ।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

ফিচার বিজ্ঞাপন

কুইক সেল অফার

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনুন

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনু...



৩২৫ বার পড়া হয়েছে