আপনি যদি সকালের খাবারের দিকে মনোযোগ না দেন তবে তা আপনার ত্বকের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে। সকালের খাবার খাওয়া নিয়ে আপনার ভুলভাল ধারণা শরীরের মেটাবলিজম, ত্বক, হজম প্রক্রিয়া সবকিছুকেই ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

একটু কৌশল জানলেই যেকোনো খাবারকে সুস্বাদু করা সম্ভব স্বাস্থ্যকর উপায়েই। সেজন্য খাবারের প্লেটে আনতে হবে বৈচিত্র। দিনের পর দিন একই ধরনের খাবার খেলে তা একঘেয়ে লাগবেই। তাতে যত সুস্বাদু খাবারই হোক।

ডিম
সকালের খাবার সহজ একটি পদ হলো ডিম। আর এই ডিম ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে বিশেষ সহায়ক, এর ফলে ত্বক কোমল ও টানটান থাকে। প্রোটিনের সবচাইতে সহজ উৎস হলো ডিম। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং মিনারেলস। সকালের খাবারে বিভিন্নভাবে ডিম রাখতে পারেন। যেমন বয়েল্ড এগ, সুগার ফ্রী এগ পুডিং, এগ স্যান্ডউইচ, সুইটলেস কাপ কেক, ডিম পোঁচ এমন আরও অনেককিছু! তবে চিকিৎসকের নিষেধ থাকলে কুসুম বাদ দিয়ে খাবেন।

সবজি খিচুড়ি
খিচুড়ির নাম শুনলে জিভে তো পানি আসবেই। আর এটি ভীষণ পুষ্টিকর খাবারও। চাল, ডাল, মশলা, সবজি মিলে সুস্বাদু এক খাবার তৈরি হয়। পালং শাক, মিষ্টি কুমড়া, গাজর, কাঁচা পেঁপে, মিষ্টি আলু এগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের খুব ভালো উৎস। ত্বক ভালো রাখতে এই সবজিগুলো দিয়ে খিচুড়ি রাঁধুন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Cairo & Luxor 5D/4N

মূল্য: 62,900 Taka

Kathmandu-Pokhara-Nagarkot-Bhoktopur 5D/4N

মূল্য: ১৮৯০০ টাকা

Siliguri – Darjeeling – Gangtok (Sikkim) 8D/7N

মূল্য: ৩০,৯০০ টাকা

ফলের সালাদ
সব ধরনের ফলই পুষ্টিকর। আপনার পছন্দের যেকোনো ফলই বেছে নিতে পারেন সকালের খাবারে। তবে খালি পেটে টক জাতীয় ফল যেমন- লেবু, মাল্টা খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। গ্রিন আপেল, কালো আঙ্গুর, পাকা পেঁপে, কিউয়ি, বেরিজাতীয় ফল, কলা, বেদানা এগুলো খেতে পারেন। পাকা পেঁপে হজমশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি ত্বকও উজ্জ্বল করে। আপেল, বেদানা, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরিতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বককে ফ্রি র্যাডিকেলসের হাত থেকে বাঁচায়। অল্প মধু, টকদই আর ফল মিলিয়ে সালাদ তৈরি করে খেতে পারেন।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৬৩ বার পড়া হয়েছে