দুবাই জাদুঘরটি আল ফাহিদি নামক একটি প্রাচীন একটি দুর্গে অবস্থিত। দুর্গটি ১৭৮৭ সালে দুবাই এর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এই দুর্গটি তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে এই দুর্গ বিভিন্ন সময় দুবাইয়ের শাসকদের বাসস্থান হিসেবে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে ব্যাবহার হত। এর পর ১৯৭১ সালে এই প্রাসাদ দুর্গকে সংস্কার করা হয় এবং একে যাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়। এর প্রধান ফটকেই রয়েছে পুরনো দিনের দুবাই ও আধুনিক দুবাই এর একটি তুলনামূলক ম্যাপ।
এখানে গেলে পুরোনো দিনের দুবাইকে সেই পরিবেশে আবিস্কার করতে পারবেন। দেখা যাবে প্রাচীন কালে ব্যাবহার করা নৌকা ও অন্যান্য জলজ যানবাহন। আরও দেখতে পাবেন তালপাতার তৈরি তখনকার দিনের ঘর বাড়ী। আরও আছে সেসব দিনের ব্যাবহার করা বিভিন্নও ধরনের অস্ত্র পাতি। আরও দেখা যাবে বেদুঈনদের জীবন ধারার নানা নিদর্শন।
এর পাশে আছে বাস্তাকিয়া কোয়ার্টার। উনিশ শতকের শেষ দিকে এই কোয়ারটার নির্মাণ করা হয় মুলত পারস্যের ধনাঢ্য ব্যাবসায়িদের জন্য। তাঁরা মুক্তা এবং দামি পোশাকের ব্যাবসা করার জন্য দুবাই আসত। তাঁদের জন্য সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকত এই কোয়ার্টার গুলোতে। এখানকার বাড়ী ঘর গুলোর বিশেষ বৈশিষ্টের মধ্যে ছিল এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ছিল লাইমস্টোনের তৈরি। বাড়ী গুলোর উপরে একটি করে উইন্ড টাওয়ার। এই উইন্ড টাওয়ারের কাজ ছিল ঘরের মধ্যে ঠাণ্ডা বাতাসের প্রবাহ নিশ্চিত করা।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Thimpu-Paro-Dochala Pass-Punakha 5D/4N
কোরিয়া ভিসা প্রসেসিং (চাকুরীজীবি)
Premium Villa
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪৩২ বার পড়া হয়েছে




