এয়ারলাইনরেটিংসডটকমের জরিপে সেফটি রেটিংস তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা। ফলে সারা বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ এয়ারলাইন্সের পাশে জায়গা করে নিলো এই উড়োজাহাজ সংস্থা।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ইউএস-বাংলার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এয়ারলাইনরেটিংসডটকম সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালার ভিত্তিতে সেফটি রেটিংস করে। যে দেশের এয়ারলাইন্সকে রেটিং দেওয়া হয়, সেখানকার সরকারি কর্তৃপক্ষের অডিট রিপোর্ট, এভিয়েশন গভর্নিং বডির নিজস্ব অডিট, এয়ারলাইন্সের নিজস্ব সেফটি ডাটা, পাইলট ইঞ্জিনিয়ারদের ট্রেনিং ও দক্ষতা, এয়ারক্রাফটের বয়স ও মডেল বিবেচনায় নিয়ে এই রেটিং দেওয়া হয়। 

ওয়েবসাইটটি গত ৫ বছর ধরে পরিচালিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিসংখ্যান ও কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করে ৭ তারকাগুলোর সর্বোচ্চ রেটিং মানের মধ্যে নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে পূর্ণ-পরিষেবা ক্যারিয়ার হিসেবে রেট দিয়েছে। সেফটি রেটিংসে বিশ্বের নামকরা এয়ারলাইন্স এমিরেটস্, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজসহ নামকরা সব এয়ারলাইন্সের পাশে স্থান করে নিলো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। 

ফিচার বিজ্ঞাপন

Vietnam & Cambodia 7D/6N

মূল্য: 65,900 Taka

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, আমরা অত্যন্ত গর্বিত যে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও ইউএস-বাংলা বিশ্বের বিখ্যাত এয়ারলাইন্সগুলোর পাশে স্থান করে নিয়েছে। এই রেটিং ইউএস-বাংলার নিরাপত্তার চমৎকার মানের প্রমাণ দেয়। 

তিনি আরও বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সব সময়ই সেফটি বজায় রাখার চেষ্টা করেছে। এই স্বীকৃতি আমাদেরকে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সমস্ত এয়ারলাইন্সের সেফটির ক্ষেত্রে নিজেদের অধিকতর উন্নত করার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৯৯৫ বার পড়া হয়েছে