আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় আকাশ পথে ভ্রমণের টিকিটে মিলছে বিভিন্ন ছাড়। শুধু আকাশ পথে ভ্রমণেই নয়, হলিডে প্যাকেজেও মিলছে ছাড়। দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে দিচ্ছে এ অফার। সবমিলিয়ে সুযোগ হাতছাড়া করছেন না ভ্রমণপিপাসুরাও।

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ারের নবম আসরের শেষ দিনের সকালেই এয়ারলাইন্সগুলোর স্টলে বাড়তি ভিড় দেখা গেলো।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এ মেলার আয়োজন করেছে। টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে জাতীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

মেলার শুরু থেকেই বাড়তি ভিড় লক্ষ্য করা যায় এয়ারলাইন্সগুলোর স্টলে। বিভিন্ন অফার থাকায় অনেকে টিকিট কেটেও রাখছেন। এয়ারলাইন্স ভেদে মেলা থেকে কেনা টিকিটে ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে ভ্রমণ করা যাবে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, অভ্যন্তরীণসহ আন্তর্জাতিক ৫টি রুটে ১৫ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে টিকিট। ছাড়ের পর টিকিট মূল্য ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটে ১৬ হাজার ৫৮২ টাকা, ঢাকা-ইয়াঙ্গুন-ঢাকা রুটে ২৫ হাজার ৫৪৪টাকা, ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা রুটে ১৮ হাজার ৩৩৭ টাকা, ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ঢাকা রুটে ২৬ হাজার ৪০৪ টাকা ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে ২৪ হাজার ৮৪৬ টাকা। 

অভ্যন্তরীণ রুটে ওয়ানওয়ে ঢাকা-বরিশাল ২ হাজার ৩৭৪ টাকা, ঢাকা-চট্টগ্রাম ২ হাজার ২০৪ টাকা, ঢাকা-কক্সবাজার ৩ হাজার ২২৪ টাকা, ঢাকা-যশোর ২ হাজার ৩৭৪ টাকা, ঢাকা-রাজশাহী ২ হাজার ৩৭৪ টাকা, ঢাকা-সৈয়দপুর ২ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং ঢাকা-সিলেট ২ হাজার ২০৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অন্যান্য রুটে ৭ শতাংশ ছাড়ে প্রযোজ্য বাজার মূল্যে টিকিট কেনার সুযোগ রয়েছে। টিকিট কেনার দিন থেকে অবশ্যই ৬ মাস বা ১৮০ দিনের মধ্যে ভ্রমণ করতে হবে।

দেশের শীর্ষ বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের স্টলে ছিলো উপচেপড়া ভিড়। আন্তর্জাতিক রুটে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ও অভ্যন্তরীণ রুটে ১০ শতাংশ মূল্য ছাড় দেওয়ায় ভ্রমণপিপাসুরা সুযোগ হাতছাড়া করছেন না। এছাড়া এয়ারলাইন্সটি সেবা ও মানে অনন্য হওয়ায় সবসময় বাড়তি ভিড় থাকছে এর স্টলে।

মেলায় ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা রুটে ন্যূনতম ১৫ হাজার ৪২৩ টাকা, ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা ২০ হাজার ৬৭৭ টাকা, ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ঢাকা ২২ হাজার ৪২৫ টাকা, ঢাকা-গুয়াংজু-ঢাকা ৩৬ হাজার ২৭৩ টাকা, ঢাকা-মাস্কাট-ঢাকা ৩৭ হাজার ২৭১ টাকা, ঢাকা-দোহা-ঢাকা রুটে ৩৬ হাজার ৮৪৮ টাকা, ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা ৯ হাজার ৮৯৩ টাকা এবং চট্টগ্রাম-ঢাকা- চট্টগ্রাম ১০ হাজার ৪১৪ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের টিকিট। অভ্যন্তরীণ সব রুটে ১০ শতাংশ মূল্যছাড়ে কেনা যাচ্ছে টিকিট। মেলা থেকে কেনা টিকিটে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্রমণ করা যাবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Vietnam & Cambodia 7D/6N

মূল্য: 65,900 Taka

Domain Registration

মূল্য: ১,৫০০ টাকা

Dubai (City Tour) 4D/3N

মূল্য: 12,900 Taka

এছাড়া বিভিন্ন গন্তব্যে ভ্রমণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের প্যাকেজ নিয়ে এসেছে এয়ারলাইন্সটি। সকালের নাশতাসহ হোটেল, পর্যটন স্পটে বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে হলিডে প্যাকেজে।

অপরদিকে দেশের আরেক বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা রিজেন্ট এয়ারওয়েজ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে টিকিট বিক্রি করছে। মেলায় দোহা ও মাস্কাট ছাড়া সব রুটে বিজনেস ও প্রিমিয়াম ইকোনমি শ্রেণীর টিকিটের মূল্যে ২০ শতাংশ আর ইকোনমি শ্রেণিতে ১২ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আসন্ন রমজান মাসে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও কক্সবাজার রুটে ২০ শতাংশ ছাড়ে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে মেলায়।

রিজেন্ট হলিডেজ বিভিন্ন গন্তব্যে ভ্রমণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের প্যাকেজ নিয়ে এসেছে মেলায়। বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে তাদের হলিডে প্যাকেজে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ বাংলানিউজকে বলেন, বিমান সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছে গ্রাহকদের। আর এটিই এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা আমাদের। 

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ ও মার্কেটিং সাপোর্ট) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ইউএস-বাংলা যাত্রার শুরু থেকেই গ্রাহকবান্ধব। এটি এদেশের পরিচয় বহনকারী একটি প্রতিষ্ঠান। শুধু ব্যবসা করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও আমরা অনেক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছি। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি আমাদের এগিয়ে যেতে প্রেরণা যোগায়।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের সহকারী ব্যবস্থাপক সামিরা করিম (ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং) বাংলানিউজকে বলেন, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ গ্রাহকদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। তাই দেশের মানুষের জন্য আমরা বিভিন্ন অফার নিয়ে আসি।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,০০১ বার পড়া হয়েছে