পাখির খামার ব্যবসা করার জন্য আনুমানিক ৫০০০০ টাকা থেকে ৮০০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের প্রয়োজন। প্রজাতিভেদে বিভিন্ন পাখি প্রতি ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়।

সুবিধা: পাখি পোষা নিয়ে কমবেশি সবারই আগ্রহ থাকে। নিজের ঘরের বারান্দায় পাখি রাখার পাশাপাশি ছোট-বড় যে-কাউকে উপহার দেওয়া যায় পাখি। অল্প পুঁজি নিয়ে পাখি পুষে স্বাবলম্বী হতে পারে যে-কেউ।

প্রস্তুত প্রণালি: বাড়ির ছাদে বা খোলা জায়গায় পাখি পোষার উপযুক্ত জায়গা ঠিক করতে হবে। পাখির ধরন বুঝে খাঁচা কিনতে বা অর্ডার দিয়ে বানাতে হবে। এরপর ককটেল, লাভবার্ড, কাকতাড়–য়া, কবুতর, টিয়া এসব পাখি পালতে হবে। এসব পাখির বংশ বিস্তার তাড়াতাড়ি হয়। বাচ্চা একটু বড় হলেই নতুন খাঁচায় সরিয়ে নিতে হবে। কবুতর বছরে ১২ থেকে ১৩ জোড়া বাচ্চা জন্ম দেয়। পাখির চাহিদা অনুযায়ী সরিষা, সূর্যমুখী ফুলের বিচি ও কুসুম ফলের বিচি খেতে দিতে হবে।

বাজারজাতকরণ: বিভিন্ন জায়গায় ফেরি করে এসব পাখি বিক্রি করা যাবে। পরিচিত, আত্মীয়, বন্ধুরাই এর মূল ক্রেতা হয়ে ওঠে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Manila & Cebu 5D/4N

মূল্য: 59,900 Taka

Kandy- Nuwara Eliya- Galle & Colombo 6D/5N

মূল্য: 36,900 Taka

এ ব্যবসার জন্য বিশেষ কোনো যোগ্যতার প্রয়োজন নেই বরং সদিচ্ছা এবং পরিশ্রমের মানসিকতা থাকলেই সফলতা সম্ভব।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,২২৫ বার পড়া হয়েছে