বিমানে পানি ছাড়া দেয়া হবে না কোন নাস্তা বা খাবার। বহন করা যাবে না হাতব্যাগ। দুই সিটে একজন বসতে পারবেন। তারও আগে শরীরে তাপমাত্রাসহ তিনটি বিষয় লিখিত দিয়েই প্লেনে উঠতে হবে যাত্রীদের।
এমন নানা নিয়ম কানুনের মধ্যে দিয়েই বদলে যাচ্ছে দেশের আকাশ পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা। ১ মে থেকে ঢাকাসহ চারটি বিমানবন্দরের নতুন রুপে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীন রুটের যাত্রী পরিবহন।
শুধু বিমানের ভেতরেই নয়, বিমানবন্দরেও বদলে যাচ্ছে চিরচেনা পরিবেশ। প্রবেশের পর চেকইনে গায়ে গায়ে লাগা দীর্ঘ লাইন, স্বজনদের জটলা, কিংবা নানা কারণে অপেক্ষমান যাত্রীদের ভিড়সহ সবকিছুর হয়তো আর দেখা মিলবে না বিমানবন্দরে।
এছাড়া আরও বলা হচ্ছে মাস্ক ছাড়া ঢুকতেই পারবেন না যাত্রীরা। সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে বা স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত হয়েই প্রবেশ করতে হবে টার্মিনালে। ভেতরে চেকইন, কাউন্টারের আনুষ্ঠানিকতার ক্ষেত্রেও থাকবে সামাজিক দূরত্ব। অপেক্ষার সময় বসতে হবে নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রেখে।
ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের মহা ব্যবস্থাপক (পিআর) কামরুল ইসলাম জানান, এসব নিয়ম মেনেই প্রস্তত বেসরকারি এয়ারলাইনস গুলো। যাত্রী আকর্ষণ এবং তাদের আশ্বস্ত করতে নেয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
ফিচার বিজ্ঞাপন
নির্ভেজাল ও নিস্কন্টক প্লটে বিনিয়োগের নিশ্চয়তা
Siem Reap Cambodia 4D/3N
Toyota Allion 2014 G Package
নভো এয়ার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান জানান, উড়োজাহাজের ভেতরেও বসতে হবে ২ সিটে একজন। তবে একই পরিবারের সদস্য হলে পাশাপাশি বসতে পারবেন যাত্রীরা। এভাবে প্রায় অর্ধেক খালি রেখেই চলতে হবে এয়ারলাইনসগুলোকে।
এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোকাব্বির হোসেন জানান, কঠোর স্বাস্থবিধি মেনে আপাতত ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুরে যাতায়াত করবে সরকারি বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো। নতুন নিয়মে বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে যাত্রীদের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে ১৬ জুন থেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রুটে বিমান চলাচল শুরু হতে পারে বলেও জানান বিমানের এমডি।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪২৪ বার পড়া হয়েছে





