কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করলে প্রাকৃতিকভাবে ঘরের তাপমাত্রা কমানো যায়: টেবিল ফ্যানের সামনে গামলা ভর্তি বরফ রেখে ফ্যান চালিয়ে দিন। নয়তো একটি পানির বোতলে বরফ জমিয়ে ফ্যানের সামনে রাখুন। যখনই ফ্যান চালাবেন, বরফের ঠান্ডা হাওয়া ঘরকে শীতল করে তুলবে৷জানালার ওপর কালো শেড দিয়ে ও পর্দা নামিয়ে ঘরের বাড়তি তাপমাত্রা ঠেকানো যায়। এই পর্দা ঘরকে ছোট গ্রিন হাউজে রুপান্তরিত হওয়া থেকে রোধ করে। ফলে ঘরের ভেতরে বাড়তি তাপ জমে না। সবচেয়ে ভালো হয় যদি মোটা পর্দা ও গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করা হয়। এটা ঘরে সরাসরি সূর্যালোক আসতে বাধা দেয়।

অল্প কিছু জায়গা ভিজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন। ঘরের পরিবেশ ঠাণ্ডা রাখতে বরফ ঠাণ্ডা পানিতে একটা কাপড় ভিজিয়ে তা বাতাস চলাচলের জায়গায় রেখে দিন। এই কৌশল ঘর ঠাণ্ডা করতে কাজে লাগে এবং ঘরের বাড়তি তাপ বের করে দেয়।

সন্ধ্যার পর বয়ে যাওয়া মৃদু বাতাসে ঘরে ঢোকার ব্যবস্থা করুন। এই রাতের মৃদুমন্দ বাতাস ঘরের ভেতরের গরম ভেজা বাতাস বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে ঘর হয় আরামদায়ক।

এছাড়াও ঢিলাঢালা, হালকা ওজন এবং হালকা রঙের পোশাক পড়ুন। যদি সম্ভব হয়, পোশাকের বাড়তি অংশ খুলে রাখুন এতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরের তাপ কমানো যাবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

তুরস্ক ভিসা (বিজনেসম্যান)

মূল্য: ১৫,০০০ টাকা

Singapore Tour with Sentosa 4D/3N

মূল্য: ২৪,৯০০ টাকা

তাপ কম ছড়াতে সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি আলো ব্যবহার করুন। প্রতিদিন দুপুরে ভ্যাপসা গরম থেকে বাঁচতে টেবিল ফ্যানটি জানালার কাছে চালিয়ে দিন। এটি বাইরের ঠান্ডা হাওয়া ভেতরে নিয়ে আসবে এবং ঘরের অসহনীয় গরম দূর হবে। ঘরে ভেন্টিলেটর থাকলে সেটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

বিছানার চাদর ব্যবহার করুন হালকা রঙের পাতলা সুতির। তুলা তাপ টানে। গদির মাঝখানে একটা মাদুর পেতে রাখলে বিছানার গরম অনেকটাই কমে যাবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



২৫৩ বার পড়া হয়েছে