করোনার সংকট কাটাতে সরকারের ঘোষিত ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা
প্যাকেজ থেকে অর্থ বরাদ্দ চেয়েছে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট
অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। এ ছাড়া আগামী ডিসেম্বর
পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফের পাশাপাশি তা সহজ শর্তে পুনঃ তফসিল করার
দাবি করেছে সংগঠনটি।
রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন আজ
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানান। তিনি বলেন, করোনার কারণে
আবাসন খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। কারণ খাতটির সঙ্গে অনেক পশ্চাৎমুখী
শিল্প জড়িত। আবার আবাসন খাতে কর্মরত ৩৫ লাখ শ্রমিকের মধ্যে অনেকেই দৈনিক
মজুরিতে কাজ করেন। তাঁদের উপার্জন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
রিহ্যাব বলছে, ২০১১ সালে আবাসন খাতে যে সংকট তৈরি হয় সেটি কাটিয়ে উঠতে কয়েক বছর লেগে যায়। খাতটি সংকট কাটিয়ে যখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, তখন আবার করোনাভাইরাসের আঘাতে জর্জরিত হচ্ছে। বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে অর্থ সহায়তা ও ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফের পাশাপাশি ২০০৭-০৮ সালের মতো আবাসন খাতের জন্য পুনঃ অর্থায়ন তহবিল চায় রিহ্যাব। এ ছাড়া দেশের আবাসন শিল্পের সমস্যা সমাধান ও সার্বিক উন্নয়নের জন্য রিহ্যাব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, এফবিসিসিআই ও এনবিআরের সমন্বয়ে গঠিত ওয়ার্কিং গ্রুপের সুপারিশ বাস্তবায়ন করার দাবি করছে সংগঠনটি।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Manila & Cebu 5D/4N
Domain Registration
Moscow, Novosibirsk & Irkutsk 7D/6N
রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, তাঁদের দাবি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে আবাসন খাত ঘুরে দাঁড়াবে। সঙ্গে অন্যান্য পশ্চাৎমুখী শিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াবে। তাতে করোনা সংকট কেটে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আবার বৃদ্ধি পাবে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৮১ বার পড়া হয়েছে




