প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খান। তা চিনাবাদাম হোক বা কাজু বাদাম বা আখরোট, পেস্তা, সূর্যমুখীর বীচি, পিক্যান যাই হোক না কেন। এতে আপনার হৃদরোগ ও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবার ঝুঁকি কমে যায় অন্তত ৫ ভাগের এক ভাগ পর্যন্ত। দিনে কুড়ি গ্রাম বাদাম খেলেও আপনার তাড়াতাড়ি মৃত্যুর আশঙ্কা কমে যাবে। কারণ এধরনের বাদামে শুধু যে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে তাই নয়, বাদামের তেলও আপনার স্বাস্থ্যের জন্যে বিশেষ উপকারী। বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, এসব বাদাম আপনার শরীরের কোষ ক্ষয় রোধ করে।

বিশেষ করে চীনা বাদামে এক ধরনের আঁশ থাকে যা খুবই উপকারী। তবে এধরনের বাদামে কিছুটা লবন ও চিনি থাকায় অসুবিধা হলেও এ বাদামের মাখন আপনাকে দীর্ঘ জীবন এনে দিতে পারে। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের একজন গবেষক তার গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন, নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগ ও ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ১৫ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়। এমনকি শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও ডায়বেটিসে বাদাম খুবই উপকারী। যদিও এক্ষেত্রে প্রমাণ সামান্য।

ইম্পেরিয়াল কলেজের স্কুল অব পাবলিক হেলথ’এর ড. ডাগফিন অউনি বলেন, বাদামের ভেতর আমরা এমন সব উপাদান পাচ্ছি যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। এত কম পরিমাণ খাবার গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে উপকার পাওয়াটাও বিশেষ বৈশিষ্ট। বিভিন্ন ধরনের বাদামের পাশাপাশি শুকনো ফল ও বীজও রোগ প্রতিরোধে বেশ উপকারী। বাদামে অর্গানিক চর্বি ছাড়াও আঁশ, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ই রয়েছে যা কোলস্টেরল ভাঙ্গতে সাহায্য করে, রক্তজনিত রোগ প্রতিরোধ করে ও ইনসুলিন ক্ষরণেও সাহায্য করে। নতুন রক্ত কোষ সৃষ্টি ও কোষের যতেœও বাদাম উপকারী। বাদামে থাকা এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেট জনিত চাপ থেকেও সতেজ থাকতে সাহায্য করে। স্থুলতা কমাতেও বাদাম সমান সহায়ক। বিএমসি মেডিসিন জার্নাল থেকে

ফিচার বিজ্ঞাপন

Singapore Tour with Universal Studio 4D/3N

মূল্য: ২৬,৯০০ টাকা

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



১,১০৮ বার পড়া হয়েছে