রাজধানীর গণকটুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঢুকেই দেখা গেল, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েকজন অভিভাবক এদিক-ওদিক দাঁড়িয়ে আছেন। বিদ্যালয়ে তখন তাঁদের সন্তানের ক্লাস চলছে। বিদ্যালয়ের দোতলায় একটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা গেল, এক শিক্ষক পাঠদানে ব্যস্ত। শিক্ষার্থীরা সবাই দূরত্ব বজায় রেখে বসেছে। সবার মুখে মাস্ক। অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধির চিত্রও ভালো দেখা গেল। কিন্তু শিক্ষার্থীর উপস্থিতির যে তথ্য জানা গেল, সেটাকে ভালো বলা যায় না। আজ ছিল ষষ্ঠ, পঞ্চম ও তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস। শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, পঞ্চম শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থী ৮২ জন। কিন্তু আজ উপস্থিত ছিল ৪২ জন। আর তৃতীয় শেণিতে মোট শিক্ষার্থী ৭০ জন। কিন্তু উপস্থিত ছিল ৩৬ জন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলেও সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখানে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। অষ্টম শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থী ৭৭ জন। কিন্তু উপস্থিত ছিল ৫০ জন।
উপস্থিতি কম কেন, জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাহমুদা ইয়াসমিন বলেন, দীর্ঘদিন পর খুলছে এবং করোনার কারণেও হয়তো প্রথম দিন উপস্থিতি এমন হয়ে থাকতে পারে। তবে তাঁরা আশা করছেন, সোমবার থেকে উপস্থিতি বাড়বে।

করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধের পর আজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। মেডিকেল কলেজগুলো খুলবে কাল। চলমান করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাঙ্গনে দীর্ঘ অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতির অবসান ঘটেছে রোববার। অপেক্ষার পালা শেষে প্রাণহীন শিক্ষাঙ্গন্বা আবার প্রাণের ছোঁয়া লেগেছে।

গণকঢুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো হাজারীবাগের আরেকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েও উপস্থিতি কম দেখা গেছে। হাজারীবাগ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েও স্বাস্থ্যবিধি মানার চিত্র ভালো দেখা গেছে। প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ ছায়িদ উল্লা নিজেই তদারক করছিলেন। নিচতলায় একটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা গেল, ছাত্রীরা সবাই মাস্ক পরে ক্লাস করছে। তাদের বসানোও হয়েছে দূরত্ব মেনে। বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে আছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। তাপমাত্রা মাপার জন্য আছে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার। প্রধান শিক্ষকের টেবিলে প্রাথমিক চিকিত্সার বাক্স। এগুলো সব ঠিক থাকলেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ভালো পাওয়া গেল না।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Email Marketing

মূল্য: ৫,০০০ টাকা

US Student Visa

মূল্য: 5,000 Taka

বেইজিং ৪ দিন ৩ রাত

মূল্য: ৪৩,৯০০ টাকা

বিদ্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চম শ্রেণিতে দুই শাখা মিলে মোট শিক্ষার্থী ৭০ জন। কিন্তু উপস্থিত ছিল ৪০ জন। উপস্থিতির হার ৫৩। আর তৃতীয় শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থী ৮৯ জন। উপস্থিত ছিল ৫৬ জন। মানে উপস্থিতি হার ৬৩ শতাংশ। জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ ছায়িদ উললা বলেন, তারা সব অভিভাবকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করছেন। মনে হচ্ছে, কিছু অভিভাবক এখনো দ্বিধাগ্রস্ত। আবারও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তিনি ধারণা করছেন, এরপর থেকে উপস্থিতি বাড়বে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



২৭০ বার পড়া হয়েছে