লকডাউন পরিস্থিতেও যে কেউ প্রয়োজনীয় ফার্নিচার কিনতে পারবেন। শো-রুমে না গিয়েও ফার্নিচারের যে কোনো মডেল সম্পর্কে বিশদে জানতে পারবেন পণ্যের ওপর মাউস ক্লিক করে হাতিল ফার্নিচারে। আর এটি হলো তাদের একটি ৩৬০ ডিগ্রি ভার্চুয়াল শো-রুম। কোম্পানির এই ডিজিটাল উদ্যোগে গ্রাহকরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটারে অথবা মোবাইল খুললেই হাতিলের ফার্নিচারের সব মডেলের ডিজাইন, ফিচার ও টেকনিক্যাল ডিটেইলস জানতে পারবেন গ্রাহকরা; তারা এই ভার্চুয়াল শো-রুম খুললেই পণ্যে সব মডেল ৩৬০ ডিগ্রি ভিউয়ে দেখতে পারবেন। সেখানে প্রবেশ করলে মনে হবে গ্রাহক যেন শো-রুমেই আছেন। সিঁড়ি বেয়ে উপরে যেতে পারবেন। প্রতিটি ফ্লোর ঘুরে বেড়াতে পারবেন। ফলে যানজট আর কোভিডের কারণে যারা মার্কেটে যেতে চান না তারা নিশ্চয়ই হাতিলের এই ডিজিটাল উদ্যোগে উপকৃত হবেন।

আকার, আয়তন এবং কী ধরনের কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে তার সব টুকিটাকি আছে এই শো-রুমে। তাছাড়া গ্রাফিক্স এনিমেশনের মাধ্যমে চারতলার একটি পুরো শো-রুমকেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ঘরে বসেই গ্রাহক জেনে নিতে পারবেন তার প্রিয় মডেলের সবকিছু। এমনকি ফার্নিচারটির চারপাশ খুঁটিয়ে দেখে নিতে পারবেন। কোন রংটা আপনার পছন্দ অথবা কোনটা নয়, সেই বিচারের সঙ্গে দামের হেরফেরে কোনটি হয়ে উঠতে পারে সব থেকে ফ্যাশনেবল। আর সবই জেনে নিতে পারেন কম্পিউটারের মাউসের অথবা মোবাইলে আঙুলের এক ক্লিকে।

হাতিল বরাবরই সময়ের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে পণ্যে বৈচিত্র এসেছে। হাতিলও মানুষের কাছে প্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। তবে এজন্য দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা আর পরিশ্রম রয়েছে। ১৯৬৬ সালে প্রয়াত হাবিবুর রহমানের হাত ধরে হাতিলের জন্ম। এইচএ টিম্বার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড ছিল এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম। তারপর থেকে তিলে তিলে, মানুষের ভালোবাসায়, প্রতিটি শ্রমিকের শ্রমে-ঘামে এই দেশের আসবাব শিল্পে জায়গা করে নিয়েছে হাতিল। এ কারণে হাতিলকে বাংলাদেশের আসবাবশিল্পে গেম চেঞ্জার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। হাতিল তাদের কাঁচামাল যত্নসহকারে বাছাই করে, পরিবেশ-বান্ধব ব্যবসায়ের অনুশীলন করে এবং গ্রাহককেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিই দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে।

ভার্চুয়াল শো-রুম কার্যক্রম সম্পর্কে হাতিলের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘এই উদ্যোগের ফলে গ্রাহক বাড়িতে বসেই হাতিলের শো-রুমে প্রবেশের স্বাদ পাবেন। সহজেই তারা দেখে নিতে পারবেন নিজেদের প্রিয় ফার্নিচারের খুঁটিনাটি। এখনকার দিনে মানুষের জীবনে ডিজিটাইজেশন এক সঠিক পন্থা। মানুষ এখন থেকে অনলাইনেই নিজের প্রিয় ফার্নিচার খুঁটিয়ে দেখে নিয়ে কিনতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, হাতিলের দেশের বাইরে ২২টি শো-রুম রয়েছে। নতুন বছরে আরও কয়েকটি শো-রুম চালু হবে। ভারত-নেপাল সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাদের শো-রুম রয়েছে। রবার্ট পল ইন কর্পোরেশনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তারা নিজেদের ফার্নিচার বাজারজাতকরণ হচ্ছে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Cairo-Alexandria-Aswan & Luxor 8D/7N

মূল্য: 91,900 Taka

USA Visa (for Businessman)

মূল্য: 5,000 Taka

হাতিল শুধু বাংলাদেশের মানুষের কাছেই প্রিয় নয়— আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, মিশর, রাশিয়া, নেপাল, ভুটান এবং ভারতের মতো দেশে হাতিল জায়গা করে নিয়েছে। ফলে হাতিল নিয়মিতই ফার্নিচার রপ্তানি করছে দেশের বাইরে। ২০১৩ সালে হাতিল গ্রিন অপারেশন ক্যাটাগরিতে এইচএসবিসি-ডেইলি স্টার ক্লাইমেট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

Source: Ittefaq

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

Online Shopping BD (Facebook Live)



৪৭০ বার পড়া হয়েছে