নান্দনিক ডিজাইনে আকর্ষণীয় মূল্যে রিয়েলমির ফোনগুলো তরুণদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সেই ধারাবাহিকতায় মিড-লেভেলের রিয়েলমি ৭ আই বাজারে নিয়ে এসেছে টেক-ট্রেন্ডসেটার ব্র্যান্ডটি।

মাত্র ১৮ হাজার ৯৯০ টাকায় ৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ রম, ৯০ হার্টজের আল্ট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে, শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটের সাথে ফোনটিতে আছে এই প্রাইজ রেঞ্জে সর্বপ্রথম ৬৪ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা।

৯০ হার্টজ আলট্রা স্মুথ ডিসপ্লে

রিয়েলমি ৭ আই-এর ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের কারণে গেমিং বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, কিংবা ভিডিও, মুভি দেখা হবে আরও উপভোগ্য। ৭ আই-তে উচ্চ রিফ্রেশ রেট প্রচলিত ৬০ হার্টজের ডিসপ্লের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি, তাই প্রতিটি সোয়াইপ হবে আরও স্মুথ। ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা ৬০০ নিট পর্যন্ত হওয়ায় ঘরের বাইরেও সহজেই ফোন ব্যবহার করা যাবে।

রিয়েলমি ৭ আই-এর ৬.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও অনুপাত ৯০ শতাংশ। অভিনব কালার টেম্পারেচার কন্ট্রোল থাকায় ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দমতো স্ক্রিনের কালার টেম্পারেচার বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এর ফলে স্ক্রিনের ব্লু লাইটের পরিমাণ কমে এসে চোখের ওপর চাপ কমাবে।

নাইট মোডের অনন্য ইফেক্টে অসাধারণ ছবি

অসাধারণ সব ছবি তোলার জন্য রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে এই প্রাইজ রেঞ্জের সর্বপ্রথম ৬৪ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ক্লিয়ার কোয়াড ক্যামেরা সেট-আপ। ৬৪ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের ১১৯ ডিগ্রির আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেলের একটি ম্যাক্রো লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেলের একটি সাদা-কালো পোর্ট্রেট লেন্সের সমন্বয়ে এই সেট-আপে প্রতিটি মুহূর্তের চমৎকার ছবি তোলা যাবে। মূল ক্যামেরায় এফ/১.৮ এর বড় অ্যাপারচারে অল্প আলোতেও পরিষ্কার, উজ্জ্বল ছবি তোলা যাবে।

ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্সে প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্থাপত্য এবং গ্রুপ ছবি তোলা হবে আরও সহজ। আল্ট্রা-ম্যাক্রো লেন্সের সাথে মাত্র ৪ সেন্টিমিটার দূর থেকে ছবি তুলতে পারায় সহজেই হারিয়ে যেতে পারবেন ম্যাক্রো জগতে। উন্নততর নতুন কালার ফিল্টারে প্রতিটি পোর্ট্রেটে পাওয়া যাবে চমৎকার ডিটেইলস আর অসাধারণ টেক্সচার।

নাইটস্কেপ মোডে আছে ৩টি দুর্দান্ত ফিল্টার– সাইবারপাঙ্ক, ফ্লেমিঙ্গো ও মডার্ন গোল্ড। ভিন্নধর্মী এ ইফেক্টগুলোতে রাতের ছবিতে দেবে নতুন এক নান্দনিকতা। পাশাপাশি দিনের আলোতে এ ইফেক্টগুলো ব্যবহারে মিলবে নতুনত্ব।

এর সেলফি ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের সনি ইন-ডিসপ্লে আইএমএক্স৪৭১ সেন্সর। এর এফ/২.১ বড় অ্যাপারচার, এআই বিউটিফিকেশন, বোকেহ ইফেক্টে যেকোনো সময়েই চমৎকার সেলফি তোলা যাবে। আছে এইচডিআর এবং ইআইএস স্টেবিলাইজেশনও। ক্যামেরায় থাকা সিনেমা মোডে প্রো-লেভেলে ভিডিও করার সুবিধা থাকায় সিনেমাটিক ভ্লগিংকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

US Visa for Retired Person

মূল্য: 5,000 Taka

Alexandria & Cairo 6D/5N

মূল্য: 38,900 Taka

এছাড়া ক্যামেরায় আরও আছে এইচডিআর, ফ্রন্ট প্যানোরামা, ইউআইএস স্ট্যাবিলাইজেশন, সুপার নাইটস্কেপ মোড ও ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিওর সুবিধা।

যেকোনো কাজের জন্যে শক্তিশালী চিপসেট

রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে শক্তিশালী এবং আরও কার্যকর ১১ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৬৬২ প্রসেসর, ক্রায়ো ২৬০ সিপিইউ ও অ্যাড্রেনো ৬১০ জিপিইউ। এর সাথে ৮ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম স্মার্টফোনে দেবে ২.০ গিগাহার্টজ পর্যন্ত গতি। ১২৮ গিগাবাইটের ইন্টারনাল স্টোরেজের সাথে আছে এসডি কার্ডের ব্যবহারে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানোর সুবিধা। আর নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারে আনন্দ জোগাবে রিয়েলমি ইউআই। এছাড়া ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক তো আছেই। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পানি ঢোকার হাত বাঁচাতে প্রতিটি পোর্টেই আছে সিলিকোনের ওয়াটারপ্রুফিং।

সারাদিনের সাপোর্ট দিতে ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি

নন-স্টপ স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্যে রিয়েলমি ৭ আই-তে আছে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি। আর এই ব্যাটারিকে ফাস্ট চার্জ দেয়ার জন্য থাকছে ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জ, যা দিয়ে মাত্র ৩০ মিনিটে এর বিশাল ব্যাটারির ৩৩ শতাংশ চার্জ করা যায়। অল্প ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে যেন পাওয়ার কনজাম্পশন না করে, সে জন্য আছে অ্যাপ কুইক ফ্রিজ। এছাড়াও স্ক্রিন ব্যাটারি অপটিমাইজেশন স্বয়ংক্রিভাবে ডিসপ্লে ইফেক্ট কমিয়ে ব্যাটারির ওপর চাপ কমাবে। সুপার পাওয়ার সেভিং মোডে মাত্র ৫% শতাংশ ব্যাটারি ব্যবহারে প্রায় ১.১ ঘণ্টা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।

অনন্য মিরর ডিজাইনের রিয়েলমি ৭ আই ফোনটি অরোরা গ্রিন ও পোলার ব্লু– এ দুটি ব্যতিক্রমী রঙে পাওয়া যাচ্ছে। দেশের সব স্মার্টফোন স্টোরসহ অনলাইনে এর দাম পড়বে মাত্র ১৮ হাজার ৯৯০ টাকা।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৭৫ বার পড়া হয়েছে