যাদের বাসা ছোট তারা সোফা না রেখে ঘরের এক কোণে কুশন দিয়েই একটা সিটিং এরেঞ্জমেন্ট করতে পারেন। নীচে বসার কুশন আকারে একটু বড় হয়। চাইলে পাটের শতরঞ্জি বা কার্পেটও ব্যবহার করা যায় কুশন রাখার জন্য। তবে নীচে বসার জন্য একটু গাঢ় রঙের কুশন ভালো হবে, যেহেতু দ্রুত ময়লা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কেউ চাইলে শোবার ঘরে, বারান্দায় বা নিজের পছন্দমতো জায়গায়ও ইচ্ছামতো রঙবেরঙের কুশন ব্যবহার করে ছোট্ট বসার জায়গা বানাতে পারেন। কুশনের পাশে ছোটবড় শো পিস, গাছভর্তি টব, ফুলদানী অথবা ল্যাম্প দিয়ে সাজাতে পারেন।

শুধু সোফাতেই নয়, দীর্ঘক্ষন বসে কাজ করলে বা পড়াশোনা করলে ব্যাক সাপোর্টের জন্য চেয়ারেও কুশন ব্যবহার করা যায়। বারান্দা বা বাগানে চেয়ার থাকলে সেখানে কুশন রাখুন; আরাম তো পাবেনই, দেখতেও সুন্দর লাগবে।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।

কুইক সেল অফার

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনুন

অবিশ্বাস্য দামে ব্রান্ডের ঘড়ির কিনু...



৩৮২ বার পড়া হয়েছে