এক সময় দেনায় ডুবে থাকা মানুষটি স্রেফ বাঁশ চাষ করে আজ কোটিপতি। বছরে তিনি অন্তত ১ কোটি টাকা আয় করেন শুধু বাঁশ বিক্রি করে। তার ওপর চাষের জমিতে ফল, সবজির মতো অন্যান্য ফসল তো রয়েছেই। বলছি ভারতীয় নাগরিক রাজশেখর পাতিলের কথা। গ্রামে তিনি পরিচিত বাঁশ চাষী হিসেবে।
জানা যায়, ‘রাজশেখর পাতিল বাম্বু’ নামে তার একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। সেখানে তার সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৮ হাজারের বেশি। কীভাবে বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ চাষ করে সাফল্য পাওয়া যাবে তা শেখান তিনি। রাজশেখরের জন্ম ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের খরা কবলিত অঞ্চল নিপানি গ্রামে। তার বাবাও একজন চাষী ছিলেন।
প্রথমে রাজশেখর আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসার হওয়ার জন্য। কিন্তু সাফল্য আসেনি। তারপর তাদের ১৬ একর জমিতে ফলের চাষ শুরু করেন। সেই চাষ লাভজনক বেশ ছিল। সাধারণত আম, জাম, সফেদার চাষ করতেন তিনি। তা থেকে দৈনিক ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আয়ও হত। এরপর জমিতে বাঁশ লাগাতে শুরু করেন।
২০০৫ সাল থেকে গ্রাহকরা নিজে থেকেই খোঁজ নিয়ে বাঁশ কেনার জন্য তার কাছে আসতে শুরু করে। সে বছর বাঁশ বিক্রি করে ২০ লাখ টাকা উপার্জন করতে সমর্থ হন তিনি। ওই বছর থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব পায় রাজশেখর কাছে। সারা দেশ ঘুরে বাঁশের বিভিন্ন প্রজাতির চারা নিয়ে এসে জমিতে পুঁততে শুরু করে দেন সে বছর থেকেই। কারণ তিনি বুঝে গিয়েছিলেন এই ব্যবসা কতটা লাভদায়ক। বাঁশ গাছের খুব একটা পরিচর্যা করতে হয় না। চাষে পানিও লাগে খুব কম। খরাপ্রবণ পানিসঙ্কটের গ্রামে তাই বাঁশ চাষই হয়ে ওঠে তার কাছে আদর্শ।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Day Long Package
বাংকক-ক্রাবি-সাফারি ওয়ার্ল্ড ৫দিন ৪ রাত
Maldives (Paradise Island-Beach Vila & Hulhumale) 3D/2N
একসময় গলা পর্যন্ত দেনায় ডুবে ছিলেন। কিন্তু রাজশেখর আজ কোটিপতি। প্রতি বছরে বাঁশ চাষ থেকেই অন্তত ১ কোটি টাকা আয় করেন তিনি। এলাকায় তার নাম লোকের মুখে মুখে ফেরে। গ্রামবাসীরা এখন ‘ব্যর্থ’ রাজশেখরের কাছে বাঁশ চাষের পাঠ নিতে আসেন।
Source: Ittefaq
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩১৭ বার পড়া হয়েছে





