বাস–মিনিবাসে বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধ এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা—ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে এখন থেকে এ দুটি বিষয়েই বেশি জোর দেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এর মধ্যে সংস্থাটির অধীনে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকদেরও এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে।

গত সোমবার থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে সীমিত আকারে বাস–মিনিবাস চালু হয়েছে। প্রতিটি বাস–মিনিবাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এর জন্য যাত্রী অধিকার কর্মীদের প্রতিবাদ–সমালোচরার পরও বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। একসঙ্গে এত ভাড়া বাড়ানোর নজির নেই বলে বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গত দুই দিনে সরেজমিন তথ্য বলছে, অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার বিষয় ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরে অনেকটাই মানা হয়েছে। যাত্রীর সংখ্যা কম হওয়ার কারণে কাজটা সহজ হয়েছে। কিন্তু সরকার যে ভাড়া হার নির্ধারণ করে দিয়েছে, তা মানছেন না অধিকাংশ পরিবহনমালিক–শ্রমিকেরা।

রাজধানী ঢাকায় শতভাগ কিংবা এরও বেশি ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনমালিক–শ্রমিকেরা। বিশেষ করে সর্বনিম্ন ভাড়া দ্বিগুণের বেশি আদায় করা হচ্ছে। গবেষণা অনুসারে, ৮০ শতাংশের বেশি যাত্রী স্বল্প দূরত্বে যাতায়াত করেন। সর্বনিম্ন ভাড়া বেশি বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে যাত্রীরা ক্ষিতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Vietnam & Cambodia 9D/8N

মূল্য: 75,900 Taka

Singapore Tour with Universal Studios & Sentosa 5D/4N

মূল্য: ৩৮,৯০০ টাকা

ঢাকায় মিনিবাসে সর্বনিম্ন ভাড়া পাঁচ টাকা। আর বাসে সাত টাকা। কোনো যাত্রী একবার উঠে সাড়ে তিন কিলোমিটার পর্যন্ত সর্বনিম্ন ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবেন। অর্থাৎ সাড়ে তিন কিলোমিটারের মধ্যে যেকোনো দূরত্বে সর্বনিম্ন ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া বৃদ্ধি এবং বাসের আসন অর্ধেক ফাঁকা রেখে চালানোর ঘোষণা দেওয়ার পর তা মানা হচ্ছে কি না, দেখার জন্য প্রতিটি বাস টার্মিনালে তদারক কমিটি গঠনের কথা বলেছিল বিআরটিএ। কিন্তু গতকালও এ ধরনের কোনো কমিটির তৎপরতা দেখা যায়নি।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৪২৪ বার পড়া হয়েছে