হেঁচকি কেন হয় তা এখনো খুব স্পষ্ট নয় বিজ্ঞানীদের কাছে। দ্রুত খেতে চেষ্টা করলে, অনেক গরম ও মসলাদার খাবার খেলে, গরম খাবারের সঙ্গে খুব ঠান্ডা পানি বা পানীয় পান করতে শুরু করলে, অনেকক্ষণ ধরে হাসলে বা কাঁদলে হেঁচকি হতে পারে।
বড়দের অবিরত হেঁচকি হওয়ার পেছনে কিছু কারণ থাকতে পারে। উদ্বেগ, কিডনির রোগ, শরীরে লবণের ভারসাম্যহীনতা, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান, ফুসফুসের সংক্রমণ বা নিউমোনিয়ায় হেঁচকি হতে পারে। আবার মস্তিষ্কের কিছু রোগ যেমন টিউমার বা ফোড়া, পেটের কিছু রোগ, যেমন অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ বা হেপাটাইটিস ইত্যাদিও হেঁচকির কারণ হতে পারে।
সাধারণ কারণে হেঁচকি হলে তা একটু পর এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে শারীরিক সমস্যা ও রোগে অনেক সময় বিরক্তিকরভাবে বারবার বা অবিরত হেঁচকি হতে পারে।
হেঁচকি উঠলে বা বারবার হলে কিছু প্রক্রিয়ায় এটি থামানো যায়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Australia Visa (for Private Service Holder)
Email Marketing
১৬ আনি মুন্সীগঞ্জ প্রাইভেট ডে লং ট্যুর
- কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে রাখুন।
- একটি পলিথিন ব্যাগ নিয়ে এর ভেতরে শ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়ুন।
- ঠান্ডা পানি বা বরফকুচি গিললে অথবা শুকনো খাবার চিবোলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাপ বেড়ে গিয়ে ডায়াফ্রামকে থামিয়ে দেয়।
- কটন বাড দিয়ে নাকের ভেতর সুড়সুড়ি দেওয়া বা চোখের ওপর আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়া, তীব্র ঝাঁজাল ঘ্রাণ নিয়ে এটি থামানো যায়।
- অসহনীয় ও অনবরত হতে থাকলে কিছু ওষুধ বা ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে।
ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন
মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৯৩১ বার পড়া হয়েছে





