করোনাকালে বিশ্বের ব্যয়বহুল নগরের তালিকায় এসেছে পরিবর্তন। করোনাভাইরাস মহামারী অর্থনীতিকে লণ্ডভণ্ড করে দেয়ার পর ডলারের দাম কমে যাওয়ায় বিশ্বের ব্যয়বহুল শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় পরিবর্তন এনেছে বলে জানিয়েছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)।
আগেকার শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকার এক নম্বরে ছিল যৌথভাবে সিঙ্গাপুর ও ওসাকা। এবার সে স্থান দখল করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর জুরিখ। তারপরে দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। তৃতীয় চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং। চতুর্থ স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের রাজধানী সিঙ্গাপুর সিটি। এটি আগেরবার ছিল এক নম্বরে।
পঞ্চম স্থানে নিজের নাম লিখিয়েছে ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিব। ষষ্ঠ স্থানে আছে জাপানের শহর ওসাকা। এক নম্বর থেকে এটি নেমে গেছে ৬ নম্বরে। সপ্তম স্থানে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা। অষ্টম স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক। আগের বারের তালিকা থেকে এক স্থান নিচে নেমেছে বিগ অ্যাপল।
নবম স্থান দখল করে নিয়েছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেন হেগেন এবং দশম স্থান নিজের করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস। ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিট প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে কস্ট অব লিভিং ইনডেক্স প্রকাশ করে। এতে দ্রব্যমূল্যের অবস্থা ও বিভিন্ন সেবার মান নিয়ে গবেষণা করে সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর নির্ধারণ করা হয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Thimpu-Paro-Dochala Pass-Punakha 6D/4N
US Visa for Retired Person
Maldives (Hulhumale Island) 3D/2N
এবার সেপ্টেম্বরে বিশ্বের ১৩০টির বেশি শহরের জীবনমান বিবেচনায় নিয়ে সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকা তৈরি করে ইআইইউ।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩১৩ বার পড়া হয়েছে




