প্রকৃতিগতভাবে শরীর প্রতিদিন শ্লেষ্মা তৈরি করে। সাধারণত শরীরে প্রতিদিন প্রায় এক লিটার শ্লেষ্মা তৈরি হয়। শ্লেষ্মা শ্বাসতন্ত্রকে সংক্রমণ থেকে রক্ষায় সাহায্য করে। কিন্তু খুব বেশি শ্লেষ্মা স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। রোগের কারণে সচরাচরের চেয়ে বেশি শ্লেষ্মা তৈরি হয়, যা আমাদের কাছে কফ নামে পরিচিত। এখানে বুকে কফ জমার ছয়টি কারণ উল্লেখ করা হলো।
এসিড রিফ্লাক্স: আপনার এসিড রিফ্লাক্স থাকলে পাকস্থলির এসিড খাদ্যনালী-গলাতে চলে আসবে। এটা গলাকে উক্ত্যক্ত করে ও শ্লেষ্মা নিঃসরণ করে। অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি হয়ে বুকে কফ জমে যায়।
অ্যালার্জি: অ্যালার্জি অনেক উপসর্গে ভোগাতে পারে, যেমন- চোখে চুলকানি, হাঁচি, বুকে কফ জমা, বুক আঁটসাঁট হওয়া ও কাশি। আপনি বায়ুবাহিত কিছুর (যেমন- ফুলের রেণু ও ধূলা) প্রতি অ্যালার্জিক হলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি হয়ে বুকে কফ জমতে পারে।
হাঁপানি: হাঁপানির অন্য উপসর্গের (শ্বাসকষ্ট ও বুকে আঁটসাঁট অনুভূতি) পাশাপাশি বুকে কফও জমতে পারে। শ্বাসনালীতে প্রদাহ হয় বলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি হয়, কিন্তু অল্প পরিমাণে সাদা বা স্বচ্ছ শ্লেষ্মা দুশ্চিন্তার কিছু নয়।
ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণ: ফ্লু, একিউট ব্রনকাইটিস ও নিউমোনিয়ার মতো সংক্রমণে শ্বাসনালী বাড়তি শ্লেষ্মা তৈরি করে। প্রায়সময় কাশির সঙ্গে কফ বেরিয়ে আসে। এটার রঙ সবুজ বা হলুদ হতে পারে। নতুন সংক্রমণ কোভিড-১৯ বুকে কফ জমায় না, কিন্তু সংক্রমণটি থেকে নিউমোনিয়া হলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরিত হয়ে বুকে কফ জমে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Dubai City tour- Dhow cruise- Desert safari- Burj Khalifa 6D/5N
ব্রুনাই ভিসা
US Visa for Retired Person
সিওপিডি: সিওপিডির পূর্ণরূপ হলো ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ। কিছু ফুসফুসীয় রোগ সিওপিডির অন্তর্ভুক্ত, যেমন- ক্রনিক ব্রনকাইটিস ও এম্ফিসেমা। ক্রনিক ব্রনকাইটিস ব্রনকিয়াল টিউবে প্রদাহ সৃষ্টি করে ও বাড়তি শ্লেষ্মা উৎপাদন করে। উভয়েই ফুসফুসের কাজকে কঠিন করে তোলে। সাধারণত ফুসফুসকে উক্ত্যক্ত করে এমনকিছুর দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শে সিওপিডি হয়, যেমন- ধূমপান। হাঁপানি থেকেও সিওপিডি ডেভেলপ করতে পারে।
সিস্টিক ফাইব্রোসিস: সিস্টিক ফাইব্রোসিস (সিএফ) একটি বংশগত রোগ। রোগটিতে শরীরে পুরু ও আঁটালো শ্লেষ্মা উৎপন্ন হয়। সিস্টিক ফাইব্রোসিস ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গে কফ জমাতে পারে। এই রোগে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের আরো অবনতি হতে থাকে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৪৫ বার পড়া হয়েছে





