১. আলোকসজ্জা
ড্রয়িংরুমে আলোর ভালো ব্যবস্থা না থাকলে সৌন্দর্য একেবারেই ফিকে হয়ে যাবে। কক্ষের সব দিকে যেন আলোর সমান ব্যবস্থা থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই কক্ষের মাঝে একটি লাইট ব্যবহার করেন। এটা ভুল কাজ।
২. কার্পেট ব্যবহারে সচেতনতা
কক্ষের আকার-আকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্পেট ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা অনেকেই খেয়াল করেন না। এটা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ছাড়া রং নির্বাচনেও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৩. অবস্থান নির্ধারণ
প্রতিটি আসবাব যথাস্থানে বসানো হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। টেলিভিশন সঠিক জায়গায় না রাখা ড্রয়িংরুম সাজানোর ক্ষেত্রে অন্যতম ভুল।
৪. দেয়ালের সঙ্গে সোফা লাগানো
দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে অনেকেই সোফা বসান। এটাও ড্রয়িংরুম সাজানোর ভুলগুলোর একটি। আপনি যদি মনে করেন, দেয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে সোফা বসালে রুম সুন্দর লাগবে, তাহলে জেনে রাখুন আপনি ড্রয়িংরুমের সৌন্দর্য নষ্ট করছেন।
ফিচার বিজ্ঞাপন
কালিজিরার তেল
চায়না ভিসা (বিজনেসম্যান)
বালি আটি জমিদার বাড়ি প্রাইভেট ডে লং ট্যুর
৫. পুরোনো আসবাব পরিহার
জনমুখে প্রচলিত আছে, ‘ওল্ড ইজ গোল্ড’। কথাটি সবক্ষেত্রে সত্য নয়। বিশেষ করে বিষয়টি যখন আসবাবপত্রের, তখন পুরোনো আসবাব পরিবর্তন করে আধুনিকতা গ্রহণ করা শ্রেয়।
৬. অন্য কাজে ব্যবহার না করা
ড্রয়িংরুম অতিথিদের আপ্যায়ন করার স্থান। পাশাপাশি নিজের অবসর সময় কাটানোর জায়গা। তাই খাওয়া, ঘুমানো কিংবা অন্য কাজ করে কক্ষের শোভা নষ্ট করবেন না।
৭. পর্দা
ঘর সাজাতে নানা রঙের পর্দার জুড়ি নেই। ঘরের সঙ্গে মানানসই পর্দা ব্যবহার না করলে বেমানান পর্দা ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করে। ছোট পর্দা ব্যবহার না করে নানা রঙের বড় সাইজের পর্দা ব্যবহার করলে কক্ষটি দেখতে বিলাসবহুল মনে হবে।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
শক্তিশালী ইলেকট্রিক গ্রাইন্ডারের দাম জেনে নিন৩১৫ বার পড়া হয়েছে





