করোনা মহামারির মধ্যেও সরকারের বিধি মেনে, নিয়মিত পাসপোর্ট বিষয়ক সেবা দিয়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। লকডাউনের মধ্যেও পাসপোর্ট নবায়নের জন্য পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে হাইকমিশন। এরই অংশ হিসাবে এবার জোহর, পেনাং ও ক্লাং থেকে পাসপোর্ট বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকমিশনের কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মশিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সরকারের বৈধতা দেওয়ার ঘোষণায় পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদনের সংখ্যা অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার এক মাস পরও তা হা্কিমশনের প্রকাশিত তালিকায় উঠছে না। সঙ্গত কারণেই পাসপোর্ট হাতে পেতে প্রবাসীদের অধিক সময় লাগছে যা বৈধতার কার্যক্রমে অংশ নিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
মূলত পাসপোর্ট সেবাকে তরান্বিত করতে হাইকমিশন জোহর, পেনাং ও ক্লাং থেকে পাসপোর্ট বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব অঞ্চলের অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজের কার্যালয়কে পাসপোর্ট বিতরণের ঠিকানা হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবা নিশ্চিত করতে ৬ জনকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত হাইকিমশনার গোলাম সারওয়ার।
নতুন এ ঘোষণা অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতেই জোহরের অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজের সিটি স্কয়ার শাখায় আগামী ২ ও ৩ জানুয়ারি এ সেবা কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া একই স্থানে ৬, ৭ ফেব্রুয়ারি ও ৬,৭ মার্চ পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে। পেনাং এর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজের বুকিত মারতাজা শাখায় ১৬, ১৭ জানুয়ারি, ১৩, ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং ২০ ও ২১ মার্চ এ কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Thimpu-Paro-Dochala Pass-Punakha 5D/4N
Cairo-Alexandria-Aswan & Luxor 8D/7N
Cambodia (Phnom Penh & Siem Reap) 6D/5N
এছাড়া ক্লাং এর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে ২৩ জানুয়ারি, ২৭ ফেব্রুয়ারি ও ২৭ মার্চ পাসপোর্ট বিতরণের কার্যক্রম চলবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পাসপোর্ট গ্রহণকারীদের কমপক্ষে ৩ দিন আগে অনলাইনের মাধ্যমে অ্যাপয়েনমেন্ট নিতে হবে। অ্যাপয়েনমেন্ট ছাড়া কেউ-ই পাসপোর্ট গ্রহণ করেত পারবে না বলেও জানানো হয়।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৪৪ বার পড়া হয়েছে





