অনেকেই মনে করেন, মিষ্টিজাতীয় খাবার মানেই দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের খাবার অনেকে এড়িয়ে চলেন। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার নিজে তেমন সমস্যা করে না। তবে মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে তৈরি হওয়া অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয়ের জন্য দায়ী। মাড়ির জন্যও তা ক্ষতিকর। তাই মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে তার অবশিষ্টাংশ যেন দাঁতের ফাঁকে বা মুখের আনাচে-কানাচে না আটকে থাকে, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য খাওয়ার পরই ব্রাশ করা সবচেয়ে ভালো উপায়। এ ছাড়া কোন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবার দাঁত ও মুখের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে, তা–ও জানা জরুরি।
■ প্রক্রিয়াজাত ও রিফাইন্ড চিনি দিয়ে তৈরি খাবার যেমন কোমল পানীয়, ক্যান্ডি, চকলেট, আইসক্রিম, জুস ইত্যাদি দাঁত ও মাড়ির জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। মনে রাখতে হবে, প্যাকেটজাত চিপস, সাইট্রাস বা খুব টক জিনিস, মধু, শুষ্ক ফলও দাঁতের জন্য ভালো নয়। চুইংগাম, মিষ্টি বিস্কুট, জ্যাম, ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল, চিনি ইত্যাদিও এড়িয়ে চলতে হবে। আর খেলেও ব্রাশ করে, ভালো করে কুলি করে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। প্রচুর পানি পান করতে হবে, যাতে মুখে আটকে থাকা খাবারের টুকরো ধুয়ে যায়।
■ খুব ঠান্ডা বা খুব গরম খাবার দাঁতের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে এমন ঠান্ডা বা গরম খাবার পরপর খাওয়া আরও বেশি ক্ষতিকর।
■ মিষ্টি হলেও দাঁত ও মাড়ির জন্য ভালো খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম তাজা ফলমূল। যেমন কলা, পেঁপে, কমলা, আপেল, গাজর, আম, শালগম, ভুট্টা ইত্যাদি। আঁশজাতীয় খাবার এবং আমিষযুক্ত খাবার যেমন পনির, দুধ, বাদাম দাঁতকে মজবুত করে। এ ছাড়া সুগার ফ্রি গাম বা মিন্টে জাইলিটল নামে একধরনের রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা দাঁতের জন্য ভালো।
ফিচার বিজ্ঞাপন
Kandy- Negombo & Colombo 5D/4N
ট্যাক্স, ভ্যাট, BIDA, IRC & COMPANY REGISTRATION CONSULTANTS
Dubai (City tour- Dhow Cruise- Desert safari- Abu Dhabi tour) 5D/4N
অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর বুলবুল, অধ্যক্ষ, ঢাকা ডেন্টাল কলেজ
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৪২৩ বার পড়া হয়েছে





