হঠাৎ করে মন খারাপ হয়ে যাওয়া, রাগ হওয়া, কান্না পাওয়া আবার চট করেই মনে উৎফুল্লভাব বা আনন্দ অনুভব করার মতো অনুভূতি হতে পারে।
‘মুড সুইং’ সম্পর্কে সাভারের ‘বিজিএমইএ’ হাসপাতালের ‘ফ্যামিলি মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ ডা. লিন্ডা সমদ্দার বলেন, “হরমোনের প্রভাব, পুষ্টিহীনতা, লৌহ, ভিটামিন ও খনিজের অভাব মেজাজের দ্রুত ওঠা-নামার জন্য দায়ী। “নারীদের পিরিয়ডের সময় শরীর থেকে প্রচুর আয়রনের ক্ষয় হয়। পরে তা পূরণ না করায় ধীরে ধীরে ‘মুড সুইং’য়ের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দেয়।”
‘মুড সুইং’ নারী পুরুষ উভয়েরই হয়ে থাকে। জীবনযাত্রা, কাজের চাপ, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি বিষয়ও ‘মুড সুইং’য়ের অন্যতম কারণ বলে জানান, তিনি। কৈশোরে ছেলে-মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। এই সময়ে দেহের হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। ফলে ‘মুড সুইং’ হয়। তাই এই সময়ে ছেলে-মেয়েরা অনেক বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে থাকে।
‘মুড সুইং’ ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য স্বাভাবিক হলেও নারীরা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কারণে ‘মুড সুইং’ অনুভব করে থাকেন। প্রতিমাসে পিরিয়ডের কারণে অধিকাংশ নারীরই ‘মুড সুইং’ হয়। এছাড়াও, গর্ভাবস্থায় হরমোনের ওঠানামা মনের ওপর প্রভাব ফেলে। এই সময়ও মায়েদের মধ্যে দেখা দেয় ‘মুড সুইং’।
তাছাড়া, মায়ের শারীরিক পরিবর্তন তার মনের ওপরে প্রভাব ফেলে মেজাজের তারতম্য ঘটাতে পারে। নারীদের মেনোপোজের সময় এস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে। তাই এই সময়েও ‘মুড সুইং’ হওয়া স্বাভাবিক বলে জানান ডা. লিন্ডা সমদ্দার।
ফিচার বিজ্ঞাপন
কলম্বো ৩দিন ২ রাত
ট্যাক্স, ভ্যাট, BIDA, IRC & COMPANY REGISTRATION CONSULTANTS
US Visa for Retired Person
‘মুড সুইং’ সম্পূর্ণই হরমোনের ওপর নির্ভর করে। হরমনের ওঠা নামার কারণেই মানুষের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন হয়, যার প্রকাশ ঘটে আবেগে। ‘প্রি-মিন্সট্রুয়াল সিন্ড্রম (পিএমএস)’ সাধারণত পিরিয়ড হওয়ার দুএক সপ্তাহ আগে থেকে দেখা দেয়। এই সময়ে অনেকের আবেগের পরিবর্তন, খাবারের চাহিদায় পরিবর্তন, দুর্বলভাব, বমি ভাব, মানসিক উদ্বেগ দেখা দিয়ে থাকে।
আর এটা স্বাভাবিক। কারণ মানুষের শরীরের হরমোন এই সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানান ডা. লিন্ডা। পিরিয়ডের আগে এস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় বলেই মানসিক অবস্থার এমন নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। ‘মুড সুইং’ অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে যা পিরিয়ড শেষ হওয়ার দুএকদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যায়। তবে, কিছু সংখ্যক নারী গুরুতর ভাবে এই সমস্যার মুখোমুখি হয় যা অনেক ক্ষেত্রে তাদের মানসিক স্বস্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করে। অনেকে এর ফলে মারাত্মক হতাশা, সব সময় মেজাজ খিটমিট করা, রাগারাগি করার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, ধ্যান ইত্যাদির মাধ্যমে ‘মুড সুইং’ সমস্যার সমাধান করা যায়। তবে মানসিক সমস্যার মতো রূপ নেয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলে জানান তিনি।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৫৯ বার পড়া হয়েছে





